...
...
Next Story

Trump-Munir Phone Call: তেহরান সফরের আগে পাক সেনা প্রধান মুনিরকে ফোন ট্রাম্পের, বড় দাবি রিপোর্টে

ট্রাম্প নিজেই মুনিরকে ফোন করেছিলেন। ইরানকে ফের আলোচনার টেবিলে ফেরাতে পাকিস্তানের প্রভাব কাজে লাগানোর কথাও সেই ফোনালাপে উঠেছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে হোয়াইট হাউসের তরফে এখনও এই ফোনালাপ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

Published on: Aug 25, 2026, 09:00:39 IST
Advertisement

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলতে থাকা সংঘাতের আবহে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াল পাকিস্তান। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছে একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর আগেই গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুনিরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আলোচনায় ইরান প্রসঙ্গই গুরুত্ব পেয়েছিল।

ট্রাম্প নিজেই মুনিরকে ফোন করেছিলেন বলে দাবি রিপোর্টে
ট্রাম্প নিজেই মুনিরকে ফোন করেছিলেন বলে দাবি রিপোর্টে

একটি সূত্রের দাবি, ট্রাম্প নিজেই মুনিরকে ফোন করেছিলেন। ইরানকে ফের আলোচনার টেবিলে ফেরাতে পাকিস্তানের প্রভাব কাজে লাগানোর কথাও সেই ফোনালাপে উঠেছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে হোয়াইট হাউসের তরফে এখনও এই ফোনালাপ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ফলে মুনিরের তেহরান সফরের পিছনে ওয়াশিংটনের বার্তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

এরপরই তেহরানে পৌঁছে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেন মুনির। বৈঠকে আমেরিকার বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তোলেন কালিবাফ। তাঁর দাবি, জুন মাসে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যে ১৪ দফা সমঝোতার কাঠামো তৈরি হয়েছিল, তার একাধিক শর্ত লঙ্ঘন করেছে ওয়াশিংটন। এর ফলে পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং আমেরিকার উপর ইরানের অবিশ্বাস আরও বেড়েছে।

ইরানের অবস্থানও বেশ স্পষ্ট। তেহরান বলছে, ওই সমঝোতার শর্তগুলি কার্যকর করার দায়িত্ব আমেরিকার। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত পদক্ষেপ, ইরানের সম্পদ নিয়ে ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ নিয়ে সমঝোতা। স্ট্রেট অব হরমুজ নিয়েও এই সমঝোতার প্রভাব রয়েছে। ইরান আগেই জানিয়েছে, আমেরিকা তাদের দাবিগুলি পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে না।

মুনিরের সঙ্গে তেহরান সফরে গিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভিও। সেখানে ইরানের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হচ্ছে। ইরানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মুনিরকে জানানো হয়েছে যে তেহরান এখনও সমঝোতার শর্ত বাস্তবায়নের পক্ষেই রয়েছে। অন্যদিকে মুনিরও আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তানের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

তবে পরিস্থিতি যে অত্যন্ত জটিল, তা স্পষ্ট। একদিকে আমেরিকা ইরানের উপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে ইরান হরমুজ প্রণালী ও নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ফলে সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি কূটনৈতিক লড়াইও তীব্র হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের সঙ্গে মুনিরের ফোনালাপ এবং তার পরেই তেহরান সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পাকিস্তান একদিকে আমেরিকার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ আলোচনা চালাচ্ছে। ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনার দরজা খোলার ক্ষেত্রে ইসলামাবাদের ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe