মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন জিততে ‘মণ-মণ তেল’ এনেছিলেন। কিন্তু ওয়াশিংটনে হওয়া 'বোর্ড অব পিস'-র উদ্বোধনী অধিবেশনে নিজের অস্বস্তি এড়াতে পারলেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বৈঠকের শেষে যে গ্রুপ ফোটো তোলা হয়, তাতে একদম একধারে ঠেলে দেওয়া হয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে। শুধু তাই নয়, শেহবাজকে দাঁড় করিয়ে ভারতকে ধন্যবাদ জানাতেও দেখা গিয়েছে ট্রাম্পকে।
‘স্ট্যান্ড…’, শরিফকে বললেন ট্রাম্প
আসলে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত নিয়ে ভাষণের সময় শরিফের দিকে তাকিয়ে উঠে দাঁড়াতে বলেন ট্রাম্প। বলেন, ‘স্ট্যান্ড।’ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী উঠে দাঁড়ানোর সঙ্গে-সঙ্গেই ট্রাম্প তার নিজস্ব স্টাইলে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং ভারতের প্রশংসা করতে শুরু করেন। সেখানে উপস্থিত বিশ্ব নেতা ও গণমাধ্যমের সামনে ট্রাম্প বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান... এটি একটি খুব বড় ব্যাপার ছিল। পাকিস্তান ও ভারত ধন্যবাদ। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি খুব উত্তেজিত এবং আসলে এই মুহূর্তে অনুষ্ঠানটি দেখছেন।’
বৈঠকে সশরীরে মোদী ছিলেন না
তিনি বলেন, 'ভারত ও পাকিস্তান উভয়কেই অনেক ধন্যবাদ। মোদী একজন মহান মানুষ এবং আমার খুব ভালো বন্ধু। দৃশ্যটি বেশ আকর্ষণীয় ছিল কারণ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যখন দাঁড়িয়ে এসব কথা শুনছিলেন, তখন ভারত এই বৈঠকে কেবল 'পর্যবেক্ষক' হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
ছবিতেও সাইডলাইন হয়ে গেলেন শেহবাজ
তবে শেহবাজের আসল অস্বস্তিকর পরিস্থিতি আসে বৈঠকের পরে। সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। তাঁদের ঠিক পিছনে সৌদি আরব, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশের নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শরিফ ফ্রেমের দূরবর্তী কোণে একটি জায়গা খুঁজে পেয়েছিলেন। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক ফোরামে এ ধরনের সংকেত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে উপস্থিত কূটনৈতিক সূত্রের খবর, পুরো সময় পাকিস্তানি প্রতিনিধি দলকে অস্বস্তি বোধ করা হয়েছিল। এর মূল কারণ গাজা ইস্যুতে পাকিস্তানের অস্পষ্ট অবস্থান বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}তবে শেহবাজের আসল অস্বস্তিকর পরিস্থিতি আসে বৈঠকের পরে। সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। তাঁদের ঠিক পিছনে সৌদি আরব, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশের নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শরিফ ফ্রেমের দূরবর্তী কোণে একটি জায়গা খুঁজে পেয়েছিলেন। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক ফোরামে এ ধরনের সংকেত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে উপস্থিত কূটনৈতিক সূত্রের খবর, পুরো সময় পাকিস্তানি প্রতিনিধি দলকে অস্বস্তি বোধ করা হয়েছিল। এর মূল কারণ গাজা ইস্যুতে পাকিস্তানের অস্পষ্ট অবস্থান বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}