পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরানের সাথে ২ সপ্তাহের দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অন্যান্য পরিকাঠামো ধ্বংস করা হবে বলে ট্রাম্প এর আগে হুমকি দিয়েছিলেন। এর জন্য তিনি আজ ভারতীয় সময় ভোর সাড়ে ৫টার আল্টিমেটাম বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগে এই সমঝোতার কথা ঘোষণা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ঠিক কবে থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে তা স্পষ্ট নয়। অবশ্য জানা গিয়েছে, এই চুক্তির আওতায় গুরুত্বপূর্ণ 'হরমুজ প্রণালী' পুনরায় খুলে দেওয়া হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে আমার আলোচনার ভিত্তিতে আমি ইরানে বোমা হামলার পরিকল্পনা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করতে সম্মত হয়েছি। কথোপকথনের সময় তাঁরা আমাকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে আজ রাতে ইরানের উপর বিধ্বংসী হামলা বন্ধ করা যায়। আমার শর্ত ছিল, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যেন অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খোলার বিষয়ে সম্মত হয়।' ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতিকে 'দ্বিমুখী' বলে বর্ণনা করেছেন এবং দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে তাদের সমস্ত সামরিক লক্ষ্য পূরণ করেছে। তিনি আরও বলেছিলেন যে ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য একটি বাস্তব ভিত্তি স্থাপন করে।
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, 'পৃথিবীর বুক থেকে একটি সভ্যতা নিশ্চিহ্ন' করে দেবেন তিনি। এর জেরে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তাহলে কি আমেরিকা পরমাণু হামলা চালাবে ইরানের ওপর? যদিও সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছিল আমেরিকার হোয়াইট হাউজ। তবে ইরানে যে জোরদার হামলা চালাতে তারা প্রস্তুত, তাও বুঝিয়ে দিয়েছিলেন পেন্টাগন। অবশেষে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় নাকি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় আমেরিকা।
এদিকে রিপোর্টে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কয়েক ঘণ্টায় ধরে নাকি উভয় পক্ষের সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন গতরাতে। এই নিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য অসামরিক পরিকাঠামোকে নিশানা করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা আপাতত ত্যাগ করেছেন। এদিকে ১০ এপ্রিল পাকিস্তানে শুরু হবে পাকিস্তান এবং আমেরিকার শান্তি আলোচনা।
{{/usCountry}}এদিকে রিপোর্টে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কয়েক ঘণ্টায় ধরে নাকি উভয় পক্ষের সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন গতরাতে। এই নিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য অসামরিক পরিকাঠামোকে নিশানা করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা আপাতত ত্যাগ করেছেন। এদিকে ১০ এপ্রিল পাকিস্তানে শুরু হবে পাকিস্তান এবং আমেরিকার শান্তি আলোচনা।
{{/usCountry}}