Iran-US Talks:মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার দাবি করলেন, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে সম্মত হয়েছে এবং উভয় দেশ একটি শান্তি চুক্তির 'খুব কাছাকাছি' রয়েছে। হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, 'তারা আমাদের পারমাণবিক ধূলিকণা ফেরত দিতে রাজি হয়েছে। আমাদের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার খুব ভালো সম্ভাবনা আছে।' ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা ও ইরান 'অত্যন্ত সফল আলোচনা' চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, চুক্তিটি হলে বিনামূল্যে তেল পাওয়া যাবে, হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত হয়ে যাবে এবং 'সবকিছু সুন্দর হয়ে যাবে'।

উল্লেখ্য, এর আগে যখন পাকিস্তানে ইরান-আমেরিকা আলোচনা হয়েছিল, তখন আমেরিকা নাকি চেয়েছিল, আগামী ২০ বছরের জন্য ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ থাকুক। তবে ইরান নাকি রাজি হয়েছিল ৫ বছরের জন্য। আর এই মতবিরোধের জেরেই ইসলামাবাদে দুই দেশের আলোচনা ব্যর্থ হয় বলে দাবি করা হয়েছিল নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টে। দুই শীর্ষ স্থানীয় ইরানি কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে এই দাবি করা হয় রিপোর্টে। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান শান্তি আলোচনা ২১ ঘণ্টা ধরে চললেও শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়। আর এবার ইরান দাবি করেছে, আলোচনার সময় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোন কথা হয়েছিল মার্কিন প্রতিনিধিদের। এরপরই মাঝপথে আলোচনা লাইনচ্যুত হয়েছিল।
ইসলামাবাদে বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পরে ভান্স বলেছিলেন, 'আমরা কোনও সমঝোতা ছাড়াই ফিরে যাচ্ছি। আমরা আমাদের ‘লক্ষ্মণরেখার’ বিষয়ে ইরানকে জানিয়েছি। কোন বিষয়ে ছাড় দেওয়া যায়, কোন বিষয়ে দেওয়া যায় না, সবটাই পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিক যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর চেষ্টা করবে না।'
এদিকে সেই বৈঠক ব্যর্থ হওয়া নিয়ে ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বলেছিলেন, 'বৈঠকে নেতানিয়াহু ভ্যান্সকে ফোন করেন। এরপরই আলোচনার ফোকাস মার্কিন-ইরান আলোচনা থেকে ইজরায়েলের স্বার্থের দিকে সরে যায়। যুদ্ধের মাধ্যমে আমেরিকা যা অর্জন করতে পারেনি, আলোচনার টেবিলে সেটাই তারা অর্জন করার চেষ্টা করেছে। ৪৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ছিল এটি। যুদ্ধ শেষ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সততার সাথে কাজ করেছে ইরান। কিন্তু যখন আমরা 'ইসলামাবাদ চুক্তি'র খুব কাছাকাছি ছিলাম, তখন আমাদের কাছে বড় দাবি উপস্থাপন করা হয়েছিল। দাবি পরিবর্তন করা হয়েছিল।'
{{/usCountry}}এদিকে সেই বৈঠক ব্যর্থ হওয়া নিয়ে ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বলেছিলেন, 'বৈঠকে নেতানিয়াহু ভ্যান্সকে ফোন করেন। এরপরই আলোচনার ফোকাস মার্কিন-ইরান আলোচনা থেকে ইজরায়েলের স্বার্থের দিকে সরে যায়। যুদ্ধের মাধ্যমে আমেরিকা যা অর্জন করতে পারেনি, আলোচনার টেবিলে সেটাই তারা অর্জন করার চেষ্টা করেছে। ৪৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ছিল এটি। যুদ্ধ শেষ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সততার সাথে কাজ করেছে ইরান। কিন্তু যখন আমরা 'ইসলামাবাদ চুক্তি'র খুব কাছাকাছি ছিলাম, তখন আমাদের কাছে বড় দাবি উপস্থাপন করা হয়েছিল। দাবি পরিবর্তন করা হয়েছিল।'
{{/usCountry}}