Donald Trump: ইরানের সাথে শীঘ্রই শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে আমেরিকা। এমনই ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনায় অবশ্য ট্রাম্প নিজে যাননি। সেই আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে ছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তবে আলোচনা চলাকালীন নাকি একাধিকবার ভান্সের সঙ্গে ট্রাম্পের কথা হয়েছিল ফোনে। আর এবার যখন শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তখন ট্রাম্প বললেন, তিনি নিজে ইসলামাবাদে যেতে পারেন। এরই সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রীরও প্রশংসা করলেন ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, 'খুব শীঘ্রই ইরানের সঙ্গে চুক্তি পারে। তেমনটা হলে আমি ইসলামাবাদে যেতে পারি। ফিল্ড মার্শার মুনির দুর্দান্ত। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও দুর্দান্ত।' এর আগে ইসলামাবাদে প্রথম দফার শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পরেও আসিম মুনির এবং শেহবাজের প্রশংসা শোনা গিয়েছিল ট্রাম্পের গলায়। সেবারে ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট করে ট্রাম্প দাবি করেন, শরিফ ও মুনিরের 'অত্যন্ত দক্ষ নেতৃত্বে' অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইরান ও আমেরিকার বৈঠক। দুই পাকিস্তানি নেতাকে 'অসাধারণ মানুষ' আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে দাবি করেন, 'ভারতের সাথে ভয়াবহ যুদ্ধে' ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন জীবন বাঁচানোর জন্য তারা তাঁকে 'প্রতিনিয়ত ধন্যবাদ' জানায়। এরই সঙ্গে ট্রাম্প জানান, শরিফ-মুনিরের প্রশংসা শুনতে তিনি পছন্দ করেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন বার্তা নিয়ে ইরানে গিয়েছিলেন পাক সেনাপ্রধান মুনির এবং সেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি। দ্বিতীয় দফায় মুখোমুখি এখনও আলোচনায় বসেনি ইরান এবং আমেরিকা। তবে সম্প্রতি ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যদি ফের মুখোমুখি কোনও বৈঠক হয়, তাহলে তা ইসলামাবাদে হতে পারে। এরই মাঝে জানা গিয়েছে যে কূটনৈতিক চ্যানেলে কথাবার্তা জারি আছে দুই দেশের মধ্যে। উল্লেখ্য, ইরানের কাছে আমেরিকার সবচেয়ে বড় দাবি, তারা যাতে পরমাণু কর্মসূচি ত্যাগ করে। এহেন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প আবার দাবি করেছেন, ইরান নাকি তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকাকে দিতে রাজি হয়ে গিয়েছে।