সদ্য এক নিউজ রিপোর্ট দাবি করেছে, অস্ট্রেলিয়া থেকে আমেরিকাগামী এক জাহাজে ছিল মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-৩৫র যন্ত্রাংশ, আর সেই সব সমেত জাহাজ, হঠাৎ হংকং থেকে ঘুরে গিয়েছে অন্য পথে, আশঙ্কা রয়েছে ওই মার্কিন যুদ্ধজাহাজের যন্ত্রাংশ গিয়ে পড়েছে চিনের হাতে। ঠিক এমন এক সময় আমেরিকায় চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সফর শুরু হল। সস্ত্রীক জিনপিং এদিন পৌঁছেছেন আমেরিকায়। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমান বন্দরেই পৌঁছে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে ১০০ শতাংশ শুল্ক কোপের খাঁড়ার আমেরিকা চিনের মাথায় ইতিমধ্যেই রেখেছে। এরই মাঝে চিনা প্রেসিডেন্টের মার্কিন সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও তাঁর স্ত্রী ওয়াশিংটনে এদিন পৌঁছন। সেখানে তাঁদের স্বাগত জানান সস্ত্রীক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এরপরই আমরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক পোস্টে লেখেন, ‘গতকাল প্লেনে (বিমানবন্দরে!) প্রেসিডেন্ট শি-র সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে এবং তাঁকে শক্তিশালী, প্রাণবন্ত ও ফিট দেখাচ্ছে। আগের চেয়েও ভালো।' শি জিনপিং-র স্ত্রীকে নিয়ে ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লেখেন, শির স্ত্রী ‘সুন্দরী'। হোয়াইট হাউস শি এবং পেং-এর জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আগমন অনুষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করেছে। প্রসঙ্গত, শি জিনপিংয়ের এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন ওয়াশিংটন ও বেইজিং বাণিজ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বেশ কয়েকটি প্রধান বিষয় নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে, মার্কিন মুলুকে পা রেখেই শি জিনপিং দিয়েছেন বড় বার্তা। একের পর এক দেশে আমেরিকার শুল্ক কোপ, রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে মার্কিন শুল্কের রক্তচক্ষুর মাঝে হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে চিনা প্রেসিডেন্ট সাফ বলেন, ‘আমাদের আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।' তিনি বলেন, ‘চিন ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ গভীরভাবে জড়িত এবং আমাদের একসঙ্গে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।' ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের মাঝে তিনি আরও বলেন, ‘চিন-মার্কিন সহযোগিতা হয়তো বিশ্বের সব সমস্যার সমাধান করতে পারবে না, কিন্তু আমাদের সহযোগিতা ছাড়া বিশ্বের অনেক সমস্যার সমাধান করা কঠিন হবে।'