ইরান যুদ্ধের মাঝে কিছুদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গিয়েছিলেন তুরস্কের সফরে, সেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনই এবার তুরস্কের এক ব্যাঙ্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে দিল। আমেরিকার ন্যাটো সঙ্গী হিসাবে কূটনৈতিক ময়দানে পরিচয় রয়েছে তুরস্কের। এদিকে, আবার পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ দেশ হিসাবেও তুরস্কের অপর পরিচিতি রয়েছে। সেই তুরস্কের ব্যাঙ্ক, গোল্ডেন গ্লোবাল ইয়াতিরিম ব্যাঙ্কাসি-র ওপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার বোঝা চাপিয়ে দিল ট্রাম্প প্রশাসন।

ইস্তানবুলের ‘গোল্ডেন গ্লোবাল ইয়াতিরিম ব্যাঙ্কাসি’ ও তার দুই নিজস্ব-প্রতিষ্ঠান ‘গোল্ডেন গ্লোবার পোর্টফয় ইয়োনেতিমি’, এবং ‘গোল্ডেন গ্লোবাল ভারলিক কিরালামা’-র বিরুদ্ধে আমেরিকা তার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে ইরান-যোগের অভিযোগ তুলেছে আমেরিকা। ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধের মাঝে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে এসেছে এই বার্তা। আমেরিকার দাবি, ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গে এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির যোগ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের ‘অফিস অফ ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ তুরস্কের তিনটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে, যার ফলে কার্যত মার্কিন ডলার-ভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থায় তাদের প্রবেশাধিকার সীমিত হয়ে পড়েছে। ওয়াশিংটন ‘গোল্ডেন গ্লোবাল’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যে, তারা ইরানকে সহায়তা করেছে চিন থেকে তুরস্ক হয়ে তেলের বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরিয়ে নিতে। অভিযোগ রয়েছে যে, তুরস্কে ওই অর্থ নগদ অর্থ ও স্বর্ণে রূপান্তর করা হচ্ছিল। ট্রাম্প সরকার আরও জানিয়েছে যে, ব্যাংকটি ইরানি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘করেসপন্ডেন্ট ব্যাঙ্ককিং’ সেবা প্রদান করেছে; এর ফলে আইআরজিসি-এর কুদস ফোর্স এবং তাদের কথিত সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থ আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে বেজায় চটেছে আমেরিকা!
তবে তুরস্কের ওই ব্য়াঙ্ক সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে। তারা বলছে, তাদের প্রতিষ্ঠান সমস্ত আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্কিং গতিবিধি সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম পাল করে। ব্যাঙ্কটি জানিয়েছে, যে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তি ও কোম্পানিগুলো তাদের গ্রাহক নয় এবং তাদের সাথে ব্যাংকটির কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ লেনদেন নেই।
{{/usCountry}}তবে তুরস্কের ওই ব্য়াঙ্ক সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে। তারা বলছে, তাদের প্রতিষ্ঠান সমস্ত আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্কিং গতিবিধি সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম পাল করে। ব্যাঙ্কটি জানিয়েছে, যে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তি ও কোম্পানিগুলো তাদের গ্রাহক নয় এবং তাদের সাথে ব্যাংকটির কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ লেনদেন নেই।
{{/usCountry}}