মার্কিন রেডিয়ো উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের একটি চিঠি সদ্য ফের একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই রিপোস্ট ঘিরেই যাবতীয় বিতর্ক। সেখানে ভারত ও চিনকে ‘নরককুণ্ড’ বলে মন্তব্য করা রয়েছে। এরপরই ভারত মুখ খোলে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল কৌশলী এক বার্তায় জানান,' আমরা এই সংক্রান্ত কিছু প্রতিবেদন দেখেছি। সেখানেই আমি এই বিষয়টিকে ছেড়ে দিচ্ছি।' এরপর এল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তরফে রিপোস্ট করা এক চিঠিতে ভারতকে ‘নরককুণ্ড’ বলে যে মন্তব্য এসেছে, তা নিয়ে তীব্র বর্ণবিদ্বেষের বিতর্কও উঠছে। এমন এক পরিস্থিতিতে দিল্লি কার্যত নিজের কৌশলী বার্তায় অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দিল্লি মুখ খোলার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন,' ভারত একটি মহান দেশ, যার শীর্ষস্থানে আমার একজন খুব ভালো বন্ধু রয়েছেন।'
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে করা তাঁর বর্ণবাদী বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যে স্যাভেজ অভিযোগ করেন যে, এশিয়ার দুটি দেশের মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে আসে ‘নবম মাসে একটি শিশুর জন্ম দিতে’, এবং এই আইন তাদেরকে ‘তাৎক্ষণিক’ মার্কিন নাগরিক করে তোলে। ট্রাম্পের পোস্ট করা চিঠিতে লেখা, 'ভারতীয় এবং চিনা অভিবাসীরা আমেরিকার যা ক্ষতি করেছে, তা সব মাফিয়া পরিবার মিলেও করেনি।' জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ইস্যুতে জন্ম-পর্যটন ঘিরেও মন্তব্য এসেছে। চিঠিতে লেখা রয়েছে, ‘আমার বিনীত মতে, এরা ল্যাপটপ হাতে গুন্ডা। ওরা আমাদের সর্বস্ব লুটে নিয়েছে, আমাদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকের মতো ব্যবহার করেছে, জঘন্য দুনিয়াকে জিততে দিয়েছে, আমাদের পতাকার ওপর পা মাড়িয়েছে, ইত্যাদি।’ এখানে তিনি ভারতীয় তথা চিনাদের ‘ল্যাপটপ হাতে গুণ্ডা’ বলে অভিহিত করেন।
স্যাভেজ বলেছেন যে তিনি একসময় "ভারতে ভারতীয়দের একজন কট্টর সমর্থক" ছিলেন, কিন্তু সেই ধারণা বদলে যায় যখন তিনি বুঝতে পারেন যে ক্যালিফোর্নিয়ার কোনো হাই-টেক কোম্পানিতে "শ্বেতাঙ্গদের" চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা 'শূন্য'।
{{/usCountry}}স্যাভেজ বলেছেন যে তিনি একসময় "ভারতে ভারতীয়দের একজন কট্টর সমর্থক" ছিলেন, কিন্তু সেই ধারণা বদলে যায় যখন তিনি বুঝতে পারেন যে ক্যালিফোর্নিয়ার কোনো হাই-টেক কোম্পানিতে "শ্বেতাঙ্গদের" চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা 'শূন্য'।
{{/usCountry}}