Trump team dumps Chinese products: চিনের উপহার ডাস্টবিনে ফেললেন ট্রাম্পরা? বিমানে চিনা জিনিস তোলাই হল না, কারণ কী?
Trump team dumps Chinese products: ক্যামেরার সামনে যে কূটনৈতিক সৌজন্য প্রকাশ পেয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে, পর্দার পিছনে দুই দেশের মধ্যকার অবিশ্বাসের দেওয়াল যে কতটা চওড়া, ফেরার সময় মার্কিন টিমের এই আচরণ তা আরও একবার প্রমাণ করে দিল।
Trump team dumps Chinese products: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাই-প্রোফাইল তিনদিনের চিন সফর শেষ হয়েছে ঠিকই। সেই সফরে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তারইমধ্যে ট্রাম্পের এই সফর থেকে ফেরার সময় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, হোয়াট হাউসের সাংবাদিক মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে যে মার্কিন প্রতিনিধি দল দেশে ফেরার আগে সমস্ত চিনা উপহার এবং বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে অথবা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের জন্য নির্ধারিত বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ ওঠার ঠিক আগের মুহূর্তে এই পদক্ষেপ করা হয় বলে একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। যদিও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি আমেরিকার তরফে। মুখ খোলেনি চিনও।
চিনের সব সামগ্রী ফেলে দেওয়া হয়েছে
বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও হোয়াইট হাউসের অফিসারদের চিনা সফরের সময় ব্যবহারের জন্য বিশেষ ‘বার্নার ফোন’, পরিচয়পত্র এবং বিশেষ ডেলিগেশন পিন দেওয়া হয়েছিল। মার্কিন প্রতিনিধিদের সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স টিম বিমান ছাড়ার ঠিক আগে সমস্ত সামগ্রী একত্রিত করে। এরপর অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে সেগুলোকে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেওয়া হয় অথবা বিমানবন্দরের আবর্জনার বাক্সে ফেলে দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। চিনা সাইবার আর্মি যাতে কোনওভাবেই মার্কিন প্রশাসনের কোনও গোপন তথ্য হাতিয়ে নিতে না পারে, সেজন্যই এই চূড়ান্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হয়েছে।
মার্কিন সাংবাদিক কী বলেছেন?
মার্কিন প্রেস পুলের সদস্য এবং সংবাদমাধ্যম ‘নিউইয়র্ক পোস্ট’-র সাংবাদিক এমিলি গুডিন বলেছেন, ‘এই বিমানে চিন সংক্রান্ত বা চিনের দেওয়া কোনও জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। আমরা খুব শীঘ্রই আমেরিকার উদ্দেশে রওনা হচ্ছি।’ যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বা হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা মন্তব্য করা হয়নি, তবে আমেরিকার কঠোর নিরাপত্তা প্রোটোকলই এর প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


