চিনের থেকে যুদ্ধবিমান কেনার পরপরই বাংলাদেশ আমেরিকার থেকে বোয়েইং উড়োজাহাজ কিনছে। সপ্তাহের শুরুতে সোমবারই ঢাকার বোয়েইং কেনার বিষয়টি নিয়ে এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেন ভারতে অবস্থিত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বাংলাদেশে সফর করেছিলেন গোর। তারপরই এই চুক্তির কথা জানা গিয়েছে। এদিকে, এই বোয়েইং উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে সদ্য মুখ খুলেছেন বাংলাদেশের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। অন্যদিকে, বাংলাদেশ বোয়েইং কিনছে শুনেই আপ্লুত ট্রাম্পের তরফ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিঠি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশি পণ্যে আমেরিকা ২০ শতাংশ শুল্ক লাগু করেছে। তবে বেশ কিছু মিডিয়া রিপোর্টের দাবি, এমনও গুঞ্জন রয়েছে যে, বাংলাদেশ, আমেরিকার থেকে বোয়েইং উড়োজাহাজ কেনার পরে সেই শুল্কের হার ১৮ শতাংশে নামাতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। ১৪ টি বোয়েইং উড়োজাহাজ কিনছে ঢাকা। এই বিষয়ে নানান গুঞ্জনের মাঝে বাংলাদেশের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাম্প একটা জিনিস চেয়েছেন যে, ‘আমাদের বোয়িংগুলি ইউজ করেন’। আমরা করছি, আমরা কিনছি। ১৪টি বোয়িং কিনছি, আরও আমরা লিজ নেব।’ প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অবস্থান মন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।
এদিকে, বাংলাদেশ এই বোয়েইং উড়োজাহাজ কিনছে জেনে , খুশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মুসলিম-প্রধান দেশ ইরানের সঙ্গে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত হচ্ছে, তখন আরও এক মুসলিম-প্রধান দেশ হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশ, আমেরিকার থেকে ১৪ টি বোয়েইং বিমান কিনছে। বাংলাদেশের এই বিমান ক্রয় ঘিরে খুশি ট্রাম্প এক চিঠিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে লিখেছেন, যে তিনি ভবিষ্যতে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী। চিঠিতে লেখা হয়,‘ আমি এখনই চিঠি পেলাম যে আপনারা বোয়েইং এয়ারক্রাফ্ট কিনছেন। আমি এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করি। বোয়েইং আপনাদের মাথানত করতে দেবে না। আর আমি এটা কোনও দিনও ভুলবনা। এই বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি ভবিষ্যতে আপনার সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী।’
এদিকে, বাংলাদেশের বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এর আগে, এক সম্মেলনে বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিদায় যেরকম হয়েছে, তার থেকে যদি আমরা রাজনীতিবিদরা শিক্ষা না নিই, তাহলে এই বাংলাদেশ আর কোনও দিনই শিক্ষিত হবে না। জোর পূর্বক কিছু করা, স্বরতান্ত্রিক মনোভাব নিয়ে আমাদের কর্মকর্তাদের হুকুম দেওয়া, তাদের অকাজে বাধ্য করা, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খণ্ডন করতে চান। ’
{{/usCountry}}এদিকে, বাংলাদেশের বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এর আগে, এক সম্মেলনে বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিদায় যেরকম হয়েছে, তার থেকে যদি আমরা রাজনীতিবিদরা শিক্ষা না নিই, তাহলে এই বাংলাদেশ আর কোনও দিনই শিক্ষিত হবে না। জোর পূর্বক কিছু করা, স্বরতান্ত্রিক মনোভাব নিয়ে আমাদের কর্মকর্তাদের হুকুম দেওয়া, তাদের অকাজে বাধ্য করা, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খণ্ডন করতে চান। ’
{{/usCountry}}