...
...
Next Story

Durga Puja Bangla Song: 'শিউলি ফুলের ছোঁয়ায় ম্যাজিক...', পুরনো বাংলা ব্যান্ডের ছোঁয়া নিয়ে এল পুজোর গান

Durga Puja Bangla Song: 'সব থেকে ভালো হয় সেই ভালোবাসার মানুষকে যদি পেয়ে যাই যখন শরৎ রোদের মিঠাস আদরে, ঢাকের তালে ভাসছে আমার শহর। এ এক অন্যধরনের প্রেমের কাহিনী। শিউলি ফুলের ছোঁয়ায় ম্যাজিক হতেও পারে। খুঁজে পেতে পারি মনের মানুষকে।'

Published on: Oct 10, 2026, 12:28:17 IST
Advertisement

Durga Puja Bangla Song: ঢাকের কাঠি আর শিউলি ফুলের মিষ্টি গন্ধে আকাশ-বাতাস যখন মেতে উঠেছে, ঠিক তখনই বাঙালির শারদীয় আবহে প্রকাশ করা হল ঊষসী সরকারের কণ্ঠ ও সুরে দুর্গাপুজোর গান 'তোমার খোঁজে'। ভালোবাসার মানুষকে ফিরে পাওয়ার এক অধীর অপেক্ষা, জমতে থাকা অভিমান আর নতুন করে খুঁজে পাওয়ার মিষ্টি আশা নিয়েই তৈরি হয়েছে এই গান। সেই গানের কণ্ঠ ও সুর দিয়েছেন ঊষসী। কথা যশ চক্রবর্তী। সংগীতায়োজনের দায়িত্বে ছিলেন পুলক সরকার।

ভালোবাসার খোঁজ ও শরতের ছোঁয়া

ঊষসী সরকার, যশ চক্রবর্তী, পুলক সরকারদের পুজোর গান।
ঊষসী সরকার, যশ চক্রবর্তী, পুলক সরকারদের পুজোর গান।

ভালোবাসার মানুষ একদিন ঠিক ফিরে আসবে—এই চিরন্তন বিশ্বাসকেই বুনে দেওয়া হয়েছে গানটির সুর ও কথায়। আমেরিকা-নিবাসী গীতিকার জানিয়েছেন, গানটি মূলত এক অন্য ধরনের প্রেমের কাহিনী তুলে ধরে। ভালোবাসার মানুষের জন্য মনে জমা হওয়া অভিযোগ আর নালিশের অন্ত নেই। কিন্তু সেই মানুষটিকেই যদি খুঁজে পাওয়া যায় শরতের হালকা সোনালী রোদের আদরে, ঢাকের ধ্বনি আর উৎসবমুখর শহরের মাঝে—তবে সেই মুহূর্তটি হয়ে ওঠে এক জাদুকরী অভিজ্ঞতা। শিউলি ফুলের আলতো স্পর্শে মনের মানুষকে কাছে পাওয়ার এই ব্যাকুলতাই 'তোমার খোঁজে' গানের মূল নির্যাস।

গানের কথা দেখেই সুর তৈরি এসে যায়, বললেন ঊষসী

সেই গানের বিষয়ে শিল্পী ঊষসী বলেন, ‘কিছু গান থাকে, যা পরিকল্পনামাফিক তৈরি হয়। কিন্তু তোমার খোঁজে গানটি এসেছে এক স্বতঃস্ফূর্ত ভাবনার পরিণতি হিসেবে। শিকাগো থেকে যশ চক্রবর্তী যখন আমায় গানের কথাগুলো পাঠান, তা পড়ার সঙ্গে-সঙ্গে সুর নিজে থেকেই যেন মাথায় তৈরি হতে শুরু করে। এর আগে মিঠাস রোদে করার সময় সবাই ভেবেছিলেন আমার বাবা গানটির সুর করবেন, কারণ তিনি একজন অভিজ্ঞ প্রযোজক। কিন্তু এবারও শব্দগুলো দেখার পরেই সুরের বাঁধন নিজে থেকেই চলে এসেছে।’

মহীনের ঘোড়ার মতো ব্যান্ডের গানের সঙ্গে আধুনিক সুরের মিশেল

একইসুরে প্রযোজক ও সুরকার পুলক বলেছেন, ‘আমার ৩৬ বছরের সংগীত জীবনের কেরিয়ারে এই ধরনের গান খুব কমই পেয়েছি। এটি এমন একটি গান, যা শুনলে মনে হবে ৪০ বছর পুরনো কোনও স্মৃতিকাতর সুর, আবার একইসঙ্গে মনে হবে এটি তার সময়ের থেকে ৪০ বছর এগিয়ে থাকা এক আধুনিক সৃষ্টি। একসঙ্গেই রেট্রো ও ফিউচারিস্টিক ছোঁয়া রয়েছে এই গানে।’

সেইসঙ্গে তিনি বলেন, 'যশের সুন্দর কথাকে সংগীতে রূপ দেওয়া অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। আর আমার মেয়ে ঊষসী নিজে এই গানের সুর দিয়েছে এবং গেয়েছে। একজন বাবা ও সংগীতশিল্পী হিসেবে ওঁর নিজের স্বতন্ত্র কণ্ঠ ও সুর খুঁজে পাওয়ার এই রূপান্তর দেখাটাই আমার দীর্ঘ ৩৬ বছরের মিউজিক কেরিয়ারের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। মানুষ যেভাবে তোমার খোঁজে গানটিকে ভালোবাসছেন এবং গ্রহণ করছেন, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks