...
...
Next Story

Election Commission: নির্বাচন কমিশনের বড় পদক্ষেপ! ক্ষমতা কমল সীমা খান্নার, তদারকির দায়িত্বে ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার

Election Commission: সেই ঘটনার পর এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কাজের দায়িত্ব বণ্টনের নির্দেশিকা জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। পবনকুমার শর্মাকে আইটি এবং আইসিটি বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Published on: Nov 5, 2026, 23:00:29 IST
Advertisement

Election Commission: বিতর্কের মুখে কী এবার সীমা খান্নার ক্ষমতা খর্ব করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন? সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে কাজের বণ্টনের নতুন ওয়ার্কঅর্ডার জারি করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নাকে এখন থেকে সিনিয়র ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার পবনকুমার শর্মার মাধ্যমে সমস্ত ফাইল পাঠাতে হবে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নার বিরুদ্ধে ‘অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ ওঠার ৩ মাসের মাথায় এই পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন।

জাতীয় নির্বাচন কমিশন (HT_PRINT)
জাতীয় নির্বাচন কমিশন (HT_PRINT)

গত ২৩ সেপ্টেম্বর সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ১০ মাসে ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন অন্য দুই কমিশনার এস এস সান্ধু এবং বিবেক জোশী। তাঁদের আপত্তি উড়িয়ে জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তই বলবৎ ছিল, যা আইনের পরিপন্থী। ঘটনাচক্রে, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে যে যে বিষয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির কথা সামনে এসেছিল, এর আগে কমিশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সেগুলি সংশোধন করা হয়েছে। যেমন, এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন ভোটার তালিকায় নাম যোগ-বিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজ্যের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের (ইআরও) ক্ষমতা কার্যত কেড়ে নিয়েছিল নির্বাচন সদন। অভিযোগ, গোটা প্রক্রিয়াটিই নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল দিল্লি থেকে। গোটা বিষয়টি নাকি নিয়ন্ত্রণ করেন কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্না।

সেই ঘটনার পর এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কাজের দায়িত্ব বণ্টনের নির্দেশিকা জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। পবনকুমার শর্মাকে আইটি এবং আইসিটি বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত ৪ নভেম্বর তারিখে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আগের বিতর্কের পর কাজের দায়িত্ব বণ্টনের একটি আনুষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এর আগে ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশিকা ঘিরে আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনারই। তাঁদের প্রশ্ন ছিল, কীভাবে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হল এবং সেই প্রক্রিয়া কতটা নিয়ম মেনে হয়েছে। এই ঘটনার পর ২৯ জুলাই দুই নির্বাচন কমিশনার পৃথক চিঠি লেখেন ক্যাবিনেট সচিবকে। সেখানে কাজের দায়িত্ব বণ্টন, কাজের রোস্টার এবং নির্দেশিকা জারির প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁরা। বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল তথ্যপ্রযুক্তি (IT) এবং অভিযোগ ও জন-অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা (PGRS)-এর দায়িত্ব বণ্টন। আগের ব্যবস্থায় এই দুই বিভাগের দায়িত্ব ছিল ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার (DEC) সঞ্জয় কুমারের হাতে। তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল (DG-IT) সীমা খান্না তাঁর অধীনে কাজ করতেন। কিন্তু ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশিকায় তথ্যপ্রযুক্তি এবং অভিযোগ সংক্রান্ত দায়িত্ব সঞ্জয় কুমারের কাছ থেকে সরিয়ে সীমা খান্নার হাতে দেওয়া হয়। এর ফলে এই দুই বিষয়ে সীমা খান্না সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট করার সুযোগ পান। অন্যদিকে, সঞ্জয় কুমারের হাতে রাখা হয় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কাজের দায়িত্ব। তবে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির পর ২৮ জুলাইয়ের সেই নির্দেশিকা কার্যকর করা হয়নি।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks