ইরান যুদ্ধের মাঝে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছিল। সেই গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোনে কথোপকথনে নাকি জুড়েছিলেন ধনকুবের ইলন মাস্কও। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুরুতর ভূ-রাজনৈতিক সংকটের আবহে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে আলোচনায় কোনও 'সাধারণ নাগরিক' অংশ নেওয়ার বিষয়টি একটি অস্বাভাবিক ঘটনা।

ট্রাম্প-মোদীর ফোনালাপের মূল বিষয়বস্তু ছিল পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং এর গোটা বিশ্বের ওপর তার প্রভাব। বিশেষত, হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল সেই কথোপকথনে। এই সমুদ্র পথটি বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে এই রুট। এহেন আলোচনায় ইল মাস্কের অংশগ্রহণ অনেককেই অবাক করেছে।
মোদী-ট্রাম্প আলোচনায় মাস্কের উপস্থিতির অর্থ কী? রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে মাস্ক এই কথোপকথনে অংশ নিয়েছিলেন। যদিও তিনি আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে এই ফোনালাপের সময় তাঁর উপস্থিতি বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন করছে। জানা যায়, ইলন মাস্কের কোম্পানিগুলোর সাথে মধ্যপ্রাচ্যের সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের গভীর বিনিয়োগের সম্পর্ক রয়েছে। এদিকে মাস্ক দীর্ঘদিন ধরে ভারতে ব্যবসার সুযোগও খুঁজছিলেন। একদা ঘনিষ্ঠ ট্রাম্প এবং মাস্কের মধ্যে আবার দূরত্ব তৈরি হয়েছিল ২০২৫ সালে। তবে গত কয়েক মাসে ট্রাম্প এবং মাস্কের মধ্যে সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তবে তাও মোদী-ট্রাম্পের আলোচনায় মাস্কের ভূমিকা এখনও স্পষ্ট নয়।
এদিকে মোদী এবং ট্রাম্পের কথোপকথনের বিষয়ে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর বলেন, দুই নেতা আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালীতে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। একইসঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী মোদী সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্ট করে লিখেছিলেন, পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা কমাতে এবং শীঘ্রই শান্তি ফিরিয়ে আনার পক্ষে ভারত। তিনি আরও জানান, ভারত এবং আমেরিকা এই বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ চলাচল বিশ্ব অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য বলেও জোর দিয়ে বলা হয়েছে ভারতের বিবৃতিতে। এদিকে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করে বিশ্ব বাজারের চলমান সংকট এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালির সঙ্গেও দেখা করেছিলেন জয়শঙ্কর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আবার ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন বিগত দিনগুলিতে। ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী মোদীর।
{{/usCountry}}এদিকে মোদী এবং ট্রাম্পের কথোপকথনের বিষয়ে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর বলেন, দুই নেতা আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালীতে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। একইসঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী মোদী সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্ট করে লিখেছিলেন, পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা কমাতে এবং শীঘ্রই শান্তি ফিরিয়ে আনার পক্ষে ভারত। তিনি আরও জানান, ভারত এবং আমেরিকা এই বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ চলাচল বিশ্ব অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য বলেও জোর দিয়ে বলা হয়েছে ভারতের বিবৃতিতে। এদিকে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করে বিশ্ব বাজারের চলমান সংকট এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালির সঙ্গেও দেখা করেছিলেন জয়শঙ্কর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আবার ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন বিগত দিনগুলিতে। ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী মোদীর।
{{/usCountry}}