...
...
Next Story

Musk Joined Modi-Trump Phone call: মোদী-ট্রাম্প ফোনালাপে জুড়েছিলেন ইলন মাস্কও, দাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে

ট্রাম্প-মোদীর ফোনালাপের মূল বিষয়বস্তু ছিল পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং এর গোটা বিশ্বের ওপর তার প্রভাব। বিশেষত, হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল সেই কথোপকথনে।

Published on: Mar 28, 2026, 07:30:07 IST
Advertisement

ইরান যুদ্ধের মাঝে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছিল। সেই গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোনে কথোপকথনে নাকি জুড়েছিলেন ধনকুবের ইলন মাস্কও। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুরুতর ভূ-রাজনৈতিক সংকটের আবহে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে আলোচনায় কোনও 'সাধারণ নাগরিক' অংশ নেওয়ার বিষয়টি একটি অস্বাভাবিক ঘটনা।

মোদী ট্রাম্প কথোপকথনের সময় ফোনে জুড়েছিলেন ইলন মাস্কও (AFP)
মোদী ট্রাম্প কথোপকথনের সময় ফোনে জুড়েছিলেন ইলন মাস্কও (AFP)

ট্রাম্প-মোদীর ফোনালাপের মূল বিষয়বস্তু ছিল পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং এর গোটা বিশ্বের ওপর তার প্রভাব। বিশেষত, হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল সেই কথোপকথনে। এই সমুদ্র পথটি বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে এই রুট। এহেন আলোচনায় ইল মাস্কের অংশগ্রহণ অনেককেই অবাক করেছে।

মোদী-ট্রাম্প আলোচনায় মাস্কের উপস্থিতির অর্থ কী? রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে মাস্ক এই কথোপকথনে অংশ নিয়েছিলেন। যদিও তিনি আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে এই ফোনালাপের সময় তাঁর উপস্থিতি বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন করছে। জানা যায়, ইলন মাস্কের কোম্পানিগুলোর সাথে মধ্যপ্রাচ্যের সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের গভীর বিনিয়োগের সম্পর্ক রয়েছে। এদিকে মাস্ক দীর্ঘদিন ধরে ভারতে ব্যবসার সুযোগও খুঁজছিলেন। একদা ঘনিষ্ঠ ট্রাম্প এবং মাস্কের মধ্যে আবার দূরত্ব তৈরি হয়েছিল ২০২৫ সালে। তবে গত কয়েক মাসে ট্রাম্প এবং মাস্কের মধ্যে সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তবে তাও মোদী-ট্রাম্পের আলোচনায় মাস্কের ভূমিকা এখনও স্পষ্ট নয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe