...
...
Next Story

TCS Nashik Controversy: 'সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও!' নাসিক TCS বিতর্কে বিস্ফোরক কর্মী

TCS Nashik Controversy: টিসিএস নাসিক শাখার বিরুদ্ধেই এর আগে এক মহিলা কর্মী যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগে দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার এবং আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়।

Published on: Apr 16, 2026, 21:23:45 IST
Advertisement

TCS Nashik Controversy: মহারাষ্ট্রের নাসিকের আইটি সংস্থা টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (টিসিএস)-এ যৌন হেনস্থা ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগের আবহে সামনে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সংস্থার এক পুরুষ কর্মী অভিযোগ করেছেন, তাঁকে জোর করে টুপি পরিয়ে নামাজ পড়ানো হয়েছিল এবং ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হয়।

নাসিক TCS বিতর্কে বিস্ফোরক কর্মী (ANI Video Grab)
নাসিক TCS বিতর্কে বিস্ফোরক কর্মী (ANI Video Grab)

এক সাক্ষাৎকারে ওই কর্মী জানান, ২০২২ সালে সংস্থায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর উপর মানসিক ও কর্মক্ষেত্রের চাপ বাড়তে থাকে। তাঁর অভিযোগ, কাজে যোগ দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই সহকর্মী ও টিম লিডরা তাঁকে টার্গেট করতে শুরু করেন। টিম লিডার তৌসিফ আত্তার এবং সহকর্মী দানিশ শেখের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, জোর করে মাথায় টুপি পরানো, নমাজ পড়তে বাধ্য করা এবং কালমা পাঠ করানো হত। এমনকী তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কুরুচিকর মন্তব্য করা হত। ওই কর্মীর দাবি, তাঁকে বলা হয়েছিল, সন্তান না হলে তাঁর স্ত্রীকে তাদের কাছে পাঠাতে। ওই কর্মীর দাবি, অফিসে শীর্ষ পদে থাকার সুবাদে তৌসিফ তাঁকে সব নির্দেশ মানতে বাধ্য করতেন এবং তাঁকে ব্যস্ত রাখার জন্য অন্যদের কাজ-সহ অতিরিক্ত কাজের বোঝা চাপিয়ে দিতেন।

ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত

টিসিএস নাসিক শাখার বিরুদ্ধেই এর আগে এক মহিলা কর্মী যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগে দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার এবং আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। ইতিমধ্যেই কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। ওই মহিলা কর্মীর অভিযোগ, তাঁকে জোর করে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেছিল দানিশ। বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়েও কটূক্তি করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পরই আরও একাধিক কর্মী সাহস পান। পুলিশের কাছে নিজেদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে শুরু করেন। আর সেই তালিকায় রয়েছেন এক পুরুষ কর্মীও। তাঁর অভিযোগ, বারবার তাঁর ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে অপমান করা হত। তিনি একজন ধর্মপ্রাণ হিন্দু এবং রুদ্রাক্ষের মালা পরেন। এই কারণেই সহকর্মীরা তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে প্রায়ই উপহাস করতেন এবং হিন্দু দেবদেবী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করতেন। ওই কর্মী আরও দাবি করেন, তিনি নিরামিষ খান। সেটা তাঁর টিম লিডদের পছন্দ ছিল না। তাই নাইট শিফটের পর তাঁকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোর করে আমিষ খেতে বাধ্য করা হত। তিনি আমিষ খেতে রাজি না হলে উপহাস করা হত। তাঁর আরও অভিযোগ, ২০২৩ সালে ইদের সময় তাঁকে জোর করে একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নমাজ পড়ানো হয় এবং সেই ছবি অফিসের গ্রুপে শেয়ার করে অপদস্থ করা হয়।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে উপহাস

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe