England coach on Viagra use in FIFA WC: দার্জিলিঙের থেকেও উঁচু মাঠে খেলা! 'ভায়াগ্রা' খেয়েই নামছে ইংল্যান্ড? জবাব কোচের
England coach on Viagra use in FIFA WC: দার্জিলিঙের থেকেও উঁচু মাঠে খেলা হবে। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আইকনিক স্টেডিয়াম এস্তাদিও অ্যাজটেকায় খেলার ক্ষেত্রে উচ্চতা একটা বড় বিষয় হবে। তাই কি 'ভায়াগ্রা' খেয়েই নামছে ইংল্যান্ড? জবাব দিলেন কোচ।
England coach on Viagra use in FIFA WC: বিশ্বকাপের ‘রাউন্ড অফ ১৬’-র ম্যাচের আগে জোড়া আতঙ্কে ভুগছে ইংল্যান্ড। একে তো কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার জন্য আয়োজক তথা এবারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত গোল না খাওয়া মেক্সিকোর বিরুদ্ধে খেলতে হবে হ্যারি কেনদের। কিন্তু সেখানেই শুধু দুশ্চিন্তা কাটছে না। বরং ইংরেজদের আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও অ্যাজটেকা। যে স্টেডিয়াম সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭,৩৫০ ফুট উপরে অবস্থিত। বিষয়টা আরও সহজ করে বলতে গেলে দার্জিলিঙের থেকেও বেশি উচ্চতায় অবস্থিত বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আইকনিক স্টেডিয়াম এস্তাদিও অ্যাজটেকা।

আটলান্টা থেকে সটান এস্তাদিও অ্যাজটেকায়
এমনিতেই অতটা উচ্চতায় ম্যাচ খেলা কিছুটা কঠিন হয়। ইংল্যান্ডের জন্য কাজটা আরও কঠিন হবে, কারণ ‘রাউন্ড অফ ৩২’-তে ইংল্যান্ড যেখানে ম্যাচটা খেলেছে, সেই আমেরিকার আটলান্টা স্টেডিয়াম সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১,০৫০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে একলপ্তে এত উঁচুতে খেলা মোটেও সহজ নয়। হাতে সময় কম থাকায় উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে নামতে পারবে না ইংল্যান্ড। যা নিয়ে ইতিমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইংরেজরা।
ভায়াগ্রা খেয়ে নামলে কী হবে?
আর সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কোনও কোনও বিশেষজ্ঞ একটা উদ্ভট বুদ্ধি দেন। তাঁরা পরামর্শ দেন যে এতটা উচ্চতার মোকাবিলা করার জন্য ভায়াগ্রা খেতে পারেন ইংরেজ ফুটবলাররা। কারণ অতীতের গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে রক্ত সঞ্চালন ভালো করার যে ক্ষমতা আছে ভায়াগ্রার, সেটার কারণে অধিক উচ্চতায় প্রশিক্ষিত সাইকেল চালকদের হৃদযন্ত্র ও রক্তনালির কার্যকারিতা এবং শরীরচর্চাজনিত সক্ষমতার সূচক বেড়ে গিয়েছিল। আর সবথেকে বড় কথা যে ফিফার ডোপিং বিধির আওতায় পড়ে না ভায়াগ্রা।
সত্যিই ভায়াগ্রা খেয়ে নামবে ইংল্যান্ড? মুখ খুললেন কোচ
যদিও ইংল্যান্ড ফুটবলাররা যে সেই পথে হাঁটছেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন কোচ টমাস টুচেল। মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ম্যাচে নামার আগে সাংবাদিক বৈঠকে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে উচ্চতার মোকাবিলা করতে ফুটবলাররা ভায়াগ্রা খাবেন কিনা। সেই প্রশ্নের জবাবে হাসতে-হাসতে ইংল্যান্ডের কোচ বলেন, ‘এর স্বপক্ষে কোনও তথ্য আমার কাছে পৌঁছায়নি, তাই এটি সত্য নয়।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


