Pahalgam Terrorist Attack: গত বছর ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে একটি ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জনকে খুন করা হয়েছিল। পাকিস্তান থেকে আসা সন্ত্রাসীরা হিন্দু পর্যটকদের বেছে বেছে হত্যা করেছিল। তাদের ধর্ম এবং নাম জিজ্ঞাসা করে এই গণহত্যা করা হয়েছিল। আজ এই ঘটনার এক বছর পূর্ণ হয়েছে। এই আবহে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং তার ২৭টি সদস্য দেশ পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে।

বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের তরফে একটি পোস্ট করা হয় এবং তাতে লেখা হয়, 'এক বছর আগে ভারতে বহু নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছিল। আমরা নিহতদের পরিবার এবং ভারত সরকারের পাশে রয়েছি এবং আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি। আমরা এখনও এই সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানাই এবং এটি কখনও ন্যায়সঙ্গত হতে পারে না। এই হামলা দেখিয়ে দিয়েছে যে সন্ত্রাসী হামলার কারণে ভারতে কীভাবে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। কীভাবে আমাদের সহিংসতা মোকাবিলা করা দরকার, সে সম্পর্কে গোটা বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা এটি।
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।
{{/usCountry}}এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।
{{/usCountry}}