ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ইউরোপকে বারংবার অপমান করেছিলেন ট্রাম্প। ইউরোপের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে কার্যত কেরানির মতো আচরণ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকী ন্যাটোতে ইউরোপীয় দেশগুলির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন ট্রাম্প। ইউরোপের দেশগুলিকে ন্যাটোতে আরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করার জন্য চাপ দিচ্ছেলেন ট্রাম্প। এহেন ট্রাম্প এখন ইরান যুদ্ধে 'মিত্রদের' সাহায্য চাইছেন। তবে এবার ইউরোপ ট্রাম্পকে সাহায্য করতে নারাজ।

এই আবহে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্ৎজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর দেশ কোনও ভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেবে না, কারণ এই যুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘের মত নেই। এর পাশাপাশি যুদ্ধ জলদি শেষ করার বার্তা দেন তিনি। অপরদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিক কাহা কালাস আবার বলেছেন, 'ইরানের এই যুদ্ধ ইউরোপের যুদ্ধ নয়। আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি। এই যুদ্ধের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।' এদিকে কাহা কালাসের সঙ্গে কথা হয়েছে এস জয়শঙ্করের। সেই বৈঠককালে হরমুজ প্রণালী নিয়ে দুই পক্ষের কথাবার্তা হয়েছে বলে জানান কালাস।
উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধে মিত্রদের সাহায্য চেয়ে বারংবার বার্তা দিচ্ছেন ট্রাম্প। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা নিয়ে বহুজাতিক জোট গড়তে চাইছেন ট্রাম্প। তবে তিনি কোনও সঙ্গী পাচ্ছেন না। এরই মাঝে ইউরোপের তরফ থেকে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে ট্রাম্পের উদ্দেশে। এর আগে ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারকে তোপ দেগেছিলেন ট্রাম্প। কারণ স্টার্মার প্রথমে আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দিতে চাননি, পরে তিনি দাবি করেছিলেন, ব্রিটেন যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী পাঠাতে রাজি। তবে সব মিলিয়ে ট্রাম্পকে এখন পাত্তা দিচ্ছে না ইউরোপের নেতারা। এই আবহে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে চিনের পর্যন্ত সাহায্য চেয়েছেন ট্রাম্প।
এই নিয়ে গতকাল ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'আমেরিকার ১ শতাংশেরও কম তেল হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। তাই আমাদের কোনও সমস্যা নেই। তবে অন্য অনেক দেশের অর্থনীতি হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। তাদের বেশিরভাগ তেল হরমুজ দিয়ে যায়। চিনের ৯০ শতাংশ তেল যায় হরমুজ দিয়ে। এছাড়া জাপানের বেশিরভাগ তেলও এখান দিয়ে যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার ৩৫ শতাংশ তেল যায় এই প্রণালী দিয়ে। ইউরোপেরও প্রচুর পরিমাণের তেল এখান দিয়ে যায়। তাই আমি চাই এই দেশগুলো হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে আমাদের সাহায্য করুক।' পরে এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন দেশ হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে আমেরিকাকে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে? এর জবাবে ট্রাম্প জানান, পরে তিনি সেই সব দেশের তালিকা দিয়ে দেবেন।
{{/usCountry}}এই নিয়ে গতকাল ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'আমেরিকার ১ শতাংশেরও কম তেল হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। তাই আমাদের কোনও সমস্যা নেই। তবে অন্য অনেক দেশের অর্থনীতি হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। তাদের বেশিরভাগ তেল হরমুজ দিয়ে যায়। চিনের ৯০ শতাংশ তেল যায় হরমুজ দিয়ে। এছাড়া জাপানের বেশিরভাগ তেলও এখান দিয়ে যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার ৩৫ শতাংশ তেল যায় এই প্রণালী দিয়ে। ইউরোপেরও প্রচুর পরিমাণের তেল এখান দিয়ে যায়। তাই আমি চাই এই দেশগুলো হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে আমাদের সাহায্য করুক।' পরে এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন দেশ হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে আমেরিকাকে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে? এর জবাবে ট্রাম্প জানান, পরে তিনি সেই সব দেশের তালিকা দিয়ে দেবেন।
{{/usCountry}}