Ex ISI chief Faiz: মুনিরের পাকিস্তানে প্রাক্তন ISI চিফকে কোন সাজা শুনিয়ে দিল মিলিটারি কোর্ট?
আইএসআই-র প্রাক্তন প্রধানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘন এবং কর্তৃত্বের অপব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইএর প্রাক্তন প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) ফয়েজ হামিদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘন এবং কর্তৃত্ব ও সরকারি সম্পদের অপব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয় আগেই। আর একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। পাকিস্তানের এক সামরিক আদালত সেদেশের এই প্রাক্তন আইএসআই কর্তাকে ১৪ বছরের কারাবাসের সাজা শোনাল!

এর আগে, পাকিস্তানের এই প্রাক্তন আইএসআই চিফের কী সাজা হতে পারে, তা নিয়ে সেদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা চলেছে। বহু সময়ই জল্পনার পারদ চড়েছে।
( Lucky Zodiac Signs: ধনুতে ডিসেম্বরেই ৩ তাবড় রাশির এন্ট্রি! সমৃদ্ধির ফোয়ারা ছুটবে তুলা সহ কাদের?)
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) দ্বারা জারি করা একটি বিবৃতি অনুসারে, হামিদের বিরুদ্ধে ফিল্ড জেনারেল কোর্ট মার্শাল (এফজিসিএম) প্রক্রিয়া ১২ আগস্ট, ২০২৪ এ শুরু হয়েছিল। প্রাক্তন ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) প্রধানের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সেনা আইনের ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল এবং 'প্রথমত, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়েজ হামিদকে (অবসরপ্রাপ্ত) রাজনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকা, রাষ্ট্রের সুরক্ষা ও স্বার্থের জন্য ক্ষতিকারক অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট লঙ্ঘন, কর্তৃত্ব ও সরকারী সম্পদের অপব্যবহার এবং কোনও ব্যক্তির অন্যায়ভাবে ক্ষতি করার অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।' পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী বলেছে যে আদালত আইএসআইয়ের প্রাক্তন মহাপরিচালক হামিদকে ‘দীর্ঘ এবং পরিশ্রমী’ আইনি প্রক্রিয়ার পরে সমস্ত অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং তাঁকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।
উল্লেখ্য, হামিদকে ইমরান ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা হয় বহু মহলে। হামিদ, যিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত আইএসআইয়ের মহাপরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রসঙ্গত, তৎকালীন আইএসআই প্রধান এবং বর্তমান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মুনিরকে অকালে এই পদ থেকে অপসারণ করা হলে হামিদকে এই সম্মানিত পদে নিয়োগ করা হয়। রিপোর্ট বলছে, তৎকালীন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, মুনিরকে নিয়ে খুশি ছিলেন না। পরবর্তীতে, সেনাবাহিনী হামিদকে সরানোর দিকে ঝোঁকে। যার তীব্র বিরোধিতা করেন ইমরান। সেই সময় থেকেই ইমরান বনাম মুনির সংঘাত দেখা দেয়। আর সময়ের কালচক্রে এবার পাকিস্তানে যখন আসিম মুনির ক্ষমতার শীর্ষে , ঠিক তখনই হামিদের এই কারাবাসের সাজা এল।
(এই প্রতিবেদন এআই জেনারেটেড। )












