...
...
Next Story

Ex Justice Katju's Party: ‘ইশক করো পার্টি’ গড়ার ডাক প্রাক্তন বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজুর, যোগদানের আহ্বান মহুয়াকে

জাস্টিস কাটজুর দাবি, সমাজে ঘৃণা, সংঘাত ও বিভাজনের বদলে ভালোবাসা এবং মানবিক সম্পর্কের প্রসার ঘটলেই বহু সামাজিক সমস্যার সমাধান সম্ভব। আগ্রহীদের তিনি ই-মেলের মাধ্যমে দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন। ‘ইশক করো’ নামটির আক্ষরিক অর্থ ‘প্রেম করো’।

Published on: Jun 9, 2026, 09:27:33 IST
Advertisement

ভারতে দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং সামাজিক বিভাজনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য অভিনব উদ্যোগের ঘোষণা করলেন প্রাক্তন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু। তিনি ‘ইশক করো পার্টি’ (Ishq Karo Party) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় কাটজু জানিয়েছেন, তাঁর দলের মূল স্লোগান হবে 'Make Love, Not War' বা 'যুদ্ধ নয়, প্রেম করুন'। বিচারপতি কাটজু সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মহুয়া মৈত্রকে তাঁর সদ্যগঠিত রাজনৈতিক দল 'ইস্ক করো পার্টি'-তে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

বিচারপতি কাটজু সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মহুয়া মৈত্রকে তাঁর সদ্যগঠিত রাজনৈতিক দল 'ইস্ক করো পার্টি'-তে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
বিচারপতি কাটজু সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মহুয়া মৈত্রকে তাঁর সদ্যগঠিত রাজনৈতিক দল 'ইস্ক করো পার্টি'-তে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

জাস্টিস কাটজুর দাবি, সমাজে ঘৃণা, সংঘাত ও বিভাজনের বদলে ভালোবাসা এবং মানবিক সম্পর্কের প্রসার ঘটলেই বহু সামাজিক সমস্যার সমাধান সম্ভব। আগ্রহীদের তিনি ই-মেলের মাধ্যমে দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন। ‘ইশক করো’ নামটির আক্ষরিক অর্থ ‘প্রেম করো’। কাটজুর এই ঘোষণাকে অনেকেই ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ এটিকে ব্যঙ্গাত্মক বা প্রতীকী রাজনৈতিক আন্দোলন বলেও মনে করছেন। সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়াও দেখা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, মার্কণ্ডেয় কাটজু ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ছিলেন। পরে তিনি প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। অবসর গ্রহণের পরও তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে খোলামেলা মন্তব্য করে প্রায়শই আলোচনায় থাকেন। ‘ইশক করো পার্টি’ আদৌ নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নেবে, নাকি এটি একটি সামাজিক আন্দোলনের রূপ নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ঘোষণার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe