Falta-Kolaghat-Kalyani Namo Bharat Train: ফলতা, মায়াপুর, কোলাঘাট থেকে বর্ধমান- ১৮০ কিমির ট্রেন চলবে বাংলায়? গেল চিঠি
Falta-Kolaghat-Kalyani Namo Bharat Train: ফলতা, কল্যাণী, মায়াপুর, কোলাঘাট থেকে বর্ধমান- ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার বেগের ট্রেন চলবে পশ্চিমবঙ্গে। সেই মর্মে চিঠি জমা পড়ল কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। কোন কোন রুটে?
Falta-Kolaghat-Kalyani Namo Bharat Train: ফলতা, কোলাঘাট, মায়াপুর থেকে বর্ধমান- পশ্চিমবঙ্গে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার বেগের ট্রেন চলবে? চারটি রুটে সেই ‘নমো ভারত’ ট্রেন (রিজিওনাল র্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম বা RRTS) চালুর প্রস্তাব জমা পড়ল। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরের কাছে ইতিমধ্যে সেই প্রস্তাব জমা দিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ এবং বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, কলকাতা থেকে ডায়মন্ড হারবার, কল্যাণী, কৃষ্ণনগর, বর্ধমমান, আসানসোল, দুর্গাপুর, খড়্গপুর, হলদিয়ার মতো শহরের মধ্যে দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার যে দাবি জোরালো হচ্ছে, তা পূরণ করতে পারে ‘নমো ভারত’ ট্রেন।
হাইস্পিড ‘নমো ভারত’ ট্রেন
এমনিতে ‘নমো ভারত’ ট্রেন বর্তমানে দিল্লি, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশে চালু আছে। ভারতীয় রেলওয়ের সাধারণ এক্সপ্রেস বা মেল ট্রেন যে ট্র্যাকে চলে, তার থেকে পৃথক রুটে এই হাইস্পিড ট্রেন চালানো হয়। ফলে একেবারে অল্প সময় এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাতায়াত করতে পারেন যাত্রীরা। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ‘নমো ভারত’ ট্রেন এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা ঘণ্টায় ১৮০ কিমি বেগে ছুটতে পারে। তবে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৬০ কিমি বেগে চালানোর অনুমতি আছে।
কোন কোন রুটে RRTS ট্রেন চালানোর প্রস্তাব?
আর ‘নমো ভারত’ ট্রেনই প্রাথমিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের কোন কোন রুটে চালানো হয়, তা নিয়েও প্রস্তাব দিয়েছেন শমীক। তিনি জানিয়েছেন, গবেষক সৌরদীপ সরকার এবং অদ্রি রায়চৌধুরী ‘নমো ভারত’ ট্রেনের সম্ভাব্য রুট খতিয়ে দেখেছেন। সেটার ভিত্তিতেই তাঁরা যে রুটের সুপারিশ করেছেন, সেগুলি তুলে ধরেছেন রাজ্যসভার সাংসদ।
১) কলকাতা-কল্যাণী-কৃষ্ণনগর-মায়াপুর: ১৩৫ কিলোমিটার।
২) কলকাতা-বর্ধমান-দুর্গাপুর-আসানসোল: ২৩২ কিলোমিটার।
৩) কলকাতা-ফলতা-ডায়মন্ড হারবার-হলদিয়া: ১০২ কিলোমিটার।
৪) সাঁতরাগাছি-কোলাঘাট-খড়্গপুর-মেদিনীপুর: ১৩৫ কিলোমিটার।
NCRTC-র ধাঁচে WBRTC তৈরির প্রস্তাব
আর সেই প্রস্তাবিত রুটে কাজের ক্ষেত্রেও সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন শমীক। বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি জানিয়েছেন, যে রুটগুলি সুপারিশ করা হয়েছে, সেখানে জমি অধিগ্রহণের সমস্যা অনেকটাই কম। সেই রেশ ধরে ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (NCRTC) ধাঁচে 'ওয়েস্ট বেঙ্গল র্যাপিড ট্রানজিট কর্পোরেশন' (WBRTC) তৈরির প্রস্তাবও দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


