সদ্য পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর দেখেছে মৃত্যুমিছিল। সেখানে পাকিস্তানি সেনার তাণ্ডবে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও স্থানীয় এএসি নেতা উমর নাজির কাশ্মীরির দাবি, সেই ঘটনায় ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহতের সংখ্যাটা ৪০০। মানবাধিকার সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ব

পিওকেতে চলছে বিধানসভা ভোট। যা নিয়ে কটাক্ষবাণ ছুড়েছে দিল্লি। এদিকে, সেই ভোটের মাঝে সদ্য রক্তবন্যা দেখেছে পিওকে। অন্যদিকে, ভোট ঘিরে পাকিস্তানের শাসকদল পিএমএলএন ও পিপিপি-র মধ্যেও সংঘাত দেখা দিয়েছে। পিপিপি দাবি করছে ভোটে ব্যাপক রিগিং হয়েছে। এরই মাঝে পিওকের স্থানীয়রা মৃত্যুমিছিল নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন।স্থানীয় এএসি নেতা উমর কাশ্মীরি বলছেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ লং মার্চটি রাওয়ালাকোটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল এবং সেখান থেকে মুজাফফরাবাদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার কথা ছিল। সমগ্র বিশ্ব দেখেছে যে, আমাদের বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা ছিল কয়েক লক্ষাধিক। এত বিপুল সংখ্যক হওয়া সত্ত্বেও, আমাদের বিক্ষোভকারীরা সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে চলেছিল,তাঁদের হাতে ছিল শান্তির প্রতীক সাদা পতাকা।’ তিনি বলছেন, ‘মনে হচ্ছে, শহরে চলাফেরা করতে দেখা গেলেই কাউকে গুলি করা হচ্ছে।’
এদিকে, পিওকেতে কাশ্মীরিদের ওপর এই অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এনসি নেতা ওমর আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘ তারা(দিল্লি) তো বলেই চলেছে যে পিওকে আমাদের। যদি এটি আমাদেরই অংশ হয়, তবে সেখানকার হত্যাকাণ্ড নিয়ে তারা কথা বলে না কেন?’ তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রীর কাছেও অনুরোধ জানিয়েছি; তাঁরা তো সবসময়ই বলে থাকেন যে এটি আমাদের বিষয়। যদি এটি আপনাদেরই বিষয় হয়, তবে আপনারা এ নিয়ে কথা বলছেন না কেন? সেখানে যা ঘটছে তা যে বন্ধ হওয়া উচিত, সে কথা আপনারা বলছেন না কেন? এ বিষয়ে তাঁদের কোনও বিবৃতি দিতে আমি শুনিনি।’