Shiv Sena corporator: মহারাষ্ট্রের এক বেসরকারি হাসপাতালে ঢুকে মহিলা চিকিৎসক-সহ স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই ঘটনার ভাইরাল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। ভিডিওতে দেখা গেছে, হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসকদের উপর হামলা চালাচ্ছে শিবসেনা নেতা এবং তাঁর দলবল। ভিডিওতে ওই শিবসেনা নেতার কর্মকাণ্ড দেখে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অনেকে। তাঁর কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে। কিন্তু এতদসত্ত্বেও নিজের অপরাধ মানতে নারাজ শিবসেনা নেতা রমেশ মাত্রে। বিপাকে পড়ে পুরো অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে রমেশ মাত্রে স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি ক্ষমা চাইতে রাজি নন। বরং নিজের 'কীর্তি'তে তিনি গর্বিত। শিবসেনা নেতা জানিয়ে দিয়েছেন, ওই কাজ না করলে এক মহিলা ও তাঁর সন্তানকে বাঁচানো যেত না। সংবাদমাধ্যমের সামনে সাফাই দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, 'আমি ওই মহিলা চিকিৎসককে আক্রমণ করিনি। উনি আমার কথা না শুনে ফোন দেখছিলেন বলে সেটাই কেড়ে নিতে যাই। এতে ধাক্কা লেগে যায়।' দীর্ঘক্ষণ কথা বললেও তাঁর মধ্যে কোনও আক্ষেপ দেখা যায়নি। বরং তিনি দাবি করেছেন, ওই কাণ্ডের ফলেই এক মহিলা ও তাঁর সন্তান প্রাণে বেঁচে গিয়েছে। কিন্তু তাঁর এহেন মন্তব্যে বিতর্ক আরও ঘনিয়েছে।
ঠিক কী হয়েছিল?
জানা যাচ্ছে, হাসপাতালে সদ্যোজাত শিশুদের এনআইসিইউ ওয়ার্ডে কোনও বেড ছিল না। এই পরিস্থিতিতে এক অন্তঃসত্ত্বাকে সেখানে আনা হলে চিকিৎসকরা পরিবারকে জানান, সদ্যোজাতকে ওই বিশেষ ওয়ার্ডে রাখার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু যেহেতু বেড ছিল না, তাই অন্য হাসপাতাল নিয়ে যেতে বলা হয়। এখান থেকেই গোলমাল বাধে। এরপরই হাসপাতালে চড়াও হন অভিযুক্ত নেতা রমেশ মাত্রে এবং তাঁর দলবল। তিনি মহারাষ্ট্রের কল্যাণ-ডোম্বিভলির একজন কর্পোরেটর। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ওই শিবসেনা নেতা এক মহিলা চিকিৎসককে এত জোরে আঘাত করছেন, তাঁর ফোনটা হাত থেকে পড়ে যাচ্ছে। ভাইরাল ভিডিও ঘিরে নিন্দার ঝড় উঠেছে নেটপাড়ায়। এই ঘটনায় কর্পোরেটরের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার কর্পোরেটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এদিকে, নিরাপত্তা ও শিবসেনা কর্পোরেটরের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবিতে চিকিৎসক ও কর্মীরা ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ায় হাসপাতালটি বন্ধ রয়েছে।
তবে রমেশ মাত্রে পরিষ্কার জানিয়েছেন, তিনি ক্ষমা চাইবেন না। একমাত্র তখনই চাইবেন, যখন ওই মহিলা চিকিৎসকও ক্ষমা চাইবেন। এমন মন্তব্য ঘিরেও বিতর্ক শুরু হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক, যিনি মহিলা, তাকে এভাবে আঘাত করেও কী করে এমন কথা তিনি বলতে পারেন উঠছে সেই প্রশ্ন।
{{/usCountry}}তবে রমেশ মাত্রে পরিষ্কার জানিয়েছেন, তিনি ক্ষমা চাইবেন না। একমাত্র তখনই চাইবেন, যখন ওই মহিলা চিকিৎসকও ক্ষমা চাইবেন। এমন মন্তব্য ঘিরেও বিতর্ক শুরু হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক, যিনি মহিলা, তাকে এভাবে আঘাত করেও কী করে এমন কথা তিনি বলতে পারেন উঠছে সেই প্রশ্ন।
{{/usCountry}}