FIFA World Cup 2026: বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগেই বড় ধাক্কা খেল মিশরীয় ফুটবল দল। ফিফার কড়া নির্দেশ মেনে তড়িঘড়ি সেভেন স্টার জার্সি বদল করতে হচ্ছে মহম্মদ সালাহদের। শুধু জার্সির ডিজাইন নয়, ফুটবলারদের নামের রঙ নিয়েও চূড়ান্ত আপত্তি তুলেছে ফিফা। আগামীকাল অর্থাৎ ১৫ জুন বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে মিশর। তার আগেই সাতবারের আফ্রিকা চ্যাম্পিয়নদের ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার এই নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
কিন্তু কেন এই নির্দেশ? মূলত দু’টি কারণ দেখিয়ে মিশরের জার্সি পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা। প্রথমত, মিশরের হোম জার্সির বুকে তাদের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের এমব্লেমের উপরে সাতটি তারা ছিল। সাতবার আফ্রিকা কাপ অফ নেশনস জয়ের প্রতীক হিসেবেই এই তারাগুলি রাখা হয়েছিল। কিন্তু ফিফার নিয়ম অত্যন্ত স্পষ্ট, বিশ্বকাপের মঞ্চে শুধুমাত্র তারাই জার্সিতে ‘স্টার’ বা তারকা ব্যবহার করতে পারবে, যারা বিশ্বকাপ জিতেছে। যেমন ব্রাজিল নিজেদের জার্সিতে পাঁচটি তারা ব্যবহার করে। যেহেতু মিশর কখনও বিশ্বকাপ জেতেনি, তাই তাদের ওই সাতটি তারা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ফিফা। আর দ্বিতীয়ত, ফিফার মতে মিশরের খেলোয়াড়দের জার্সিতে নাম ও নম্বর সোনালি রঙে লেখা ছিল। দূর থেকে টিভি সম্প্রচারে বা রেফারির সিদ্ধান্ত নিতে এই রঙ সমস্যা সৃষ্টি করছিল। তাই ফিফা নির্দেশ দিয়েছে, সোনালি রঙের বদলে সাদা রঙে নাম ও নম্বর লিখতে হবে, যাতে তা স্পষ্ট দেখা যায়।
ফিফার এই নির্দেশ অবশ্য মেনে নিয়েছে মিশর। তবে শেষ মুহূর্তে ফিফার এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ সমর্থকরা। ফুটবলপ্রেমীদের দাবি, অনেক আগেই নিয়ম মেনে ফিফার থেকে অনুমতি নিয়েই জার্সি তৈরি করেছিল মিশরীয় ফেডারেশন। তাহলে বিশ্বকাপের ঠিক আগে কেন এই নির্দেশ এল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। এর আগে হাইতির জার্সিতে দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি যুদ্ধের দৃশ্য এবং পোল্যান্ডের পতাকা থাকা নিয়ে একই রকম বিতর্ক হয়েছিল। আসলে বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে হাইতির ফুটবলারেরা যে জার্সি পরেছিলেন, তাতে ১৮০৩ সালের ঐতিহাসিক ‘ব্যাটল অব ভার্তিয়ের’-এর একটি চিত্র ছিল। ফরাসি ঔপনিবেশিক বাহিনীর বিরুদ্ধে এই যুদ্ধেই হাইতি স্বাধীনতা লাভ করে। জার্সিতে সেই দৃশ্যের পাশাপাশি পোল্যান্ডের পতাকাও আঁকা ছিল। কিন্তু ফিফার সরঞ্জাম সংক্রান্ত নিয়মে কোনও রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত বার্তা জার্সিতে রাখা নিষিদ্ধ। সেই নিয়ম মেনেই হাইতিকে জার্সি বদল করতে হয়েছিল। হাইতির পর এবার মিশরকেও একই নিয়মের গেরোয় পড়তে হলো। তবে বিতর্ক যাই হোক, ১৫ জুন বেলজিয়াম ম্যাচের আগেই ফিফার নির্দেশ মেনে জার্সি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে মিশর।
{{/usCountry}}ফিফার এই নির্দেশ অবশ্য মেনে নিয়েছে মিশর। তবে শেষ মুহূর্তে ফিফার এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ সমর্থকরা। ফুটবলপ্রেমীদের দাবি, অনেক আগেই নিয়ম মেনে ফিফার থেকে অনুমতি নিয়েই জার্সি তৈরি করেছিল মিশরীয় ফেডারেশন। তাহলে বিশ্বকাপের ঠিক আগে কেন এই নির্দেশ এল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। এর আগে হাইতির জার্সিতে দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি যুদ্ধের দৃশ্য এবং পোল্যান্ডের পতাকা থাকা নিয়ে একই রকম বিতর্ক হয়েছিল। আসলে বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে হাইতির ফুটবলারেরা যে জার্সি পরেছিলেন, তাতে ১৮০৩ সালের ঐতিহাসিক ‘ব্যাটল অব ভার্তিয়ের’-এর একটি চিত্র ছিল। ফরাসি ঔপনিবেশিক বাহিনীর বিরুদ্ধে এই যুদ্ধেই হাইতি স্বাধীনতা লাভ করে। জার্সিতে সেই দৃশ্যের পাশাপাশি পোল্যান্ডের পতাকাও আঁকা ছিল। কিন্তু ফিফার সরঞ্জাম সংক্রান্ত নিয়মে কোনও রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত বার্তা জার্সিতে রাখা নিষিদ্ধ। সেই নিয়ম মেনেই হাইতিকে জার্সি বদল করতে হয়েছিল। হাইতির পর এবার মিশরকেও একই নিয়মের গেরোয় পড়তে হলো। তবে বিতর্ক যাই হোক, ১৫ জুন বেলজিয়াম ম্যাচের আগেই ফিফার নির্দেশ মেনে জার্সি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে মিশর।
{{/usCountry}}