...
...
Next Story

FIFA WC 2026 Hero Saibari: ‘ডাক্তার বলেছিলেন হয়তো কখনও হাঁটতে পারব না,আর মা..,’ এ লড়াই মরক্কোর গোলদাতা সাইবারির!

যে সন্তানের স্বাভাবিক হাঁটাচলা নিয়ে এককালে উদ্বেগ ছিল খোদ চিকিৎসকের, সেই সন্তান, নিজের পায়ের জাদুতে গোল করে দেশকে দিয়েছেন গর্ব.. যার পরতে পরতে সাক্ষী সাইবারির মা!

Published on: Jun 30, 2026, 20:58:32 IST
Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এ নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচের শেষ পর্বে রুদ্ধশ্বাস গোলে মরক্কোকে রাউন্ড ১৬এ পৌঁছে দেন মরক্কোর স্টার ইসমাইল সাইবারি। গোলের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই উচ্ছ্বাসে ততক্ষণে ফেটে গোটা পড়ে মরক্কো টিম। শুরু হয় উচ্ছ্বসিত উজ্জাপন। তবে সতীর্থদের সেই উচ্ছ্বাস, গ্যালারি জুড়ে থাকা কয়েক হাজার ভক্তের জয়ধ্বনির মাঝে মরক্কোর এই স্টার গোলদাতার মনে তখন হয়তো ভেসে উঠেছিল একজনের মুখ… তিনি ইসমাইল সাইবারির মা! ম্যাচ শেষে মায়ের কাছে সাইবাড়ি ছুটে যেতেই, ছেলেকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাইবারির মা। মা, ছেলের একে অপরকে জড়িয়ে ধরে সেই আবেগঘন মুহূর্তের দৃশ্য এখন বিশ্বজুড়ে ভাইরাল! এই আবেগ যেন মনে করিয়ে দিচ্ছিল, সাইবারির ও তাঁর পরিবারের এক অসামান্য লড়াইয়ের পর্ব।

‘ডাক্তার বলেছিলেন হয়তো কখনও হাঁটতে পারব না,আর মা..,’ এ লড়াই মরক্কোর গোলদাতা সাইবারির!
‘ডাক্তার বলেছিলেন হয়তো কখনও হাঁটতে পারব না,আর মা..,’ এ লড়াই মরক্কোর গোলদাতা সাইবারির!

তথ্য বলছে, জন্মগত এক অসুস্থতার শিকার হয়েছিল সদ্যোজাত সাইবারি। জন্ম থেকেই সাইবারির দুটি পায়ের পাতায় ছিল সমস্যা। জানা যায়, তাঁর পায়ের দুটি পাতা এমনভাবে ভিতরের দিকে ছিল, যে শিশু অবস্থায় স্বাভাবিক হাঁটাচলার পক্ষে তা কষ্টকর ছিল। একটি ডিভাইসের সাহায্য ছাড়া চলাফেরা করা প্রায় অসম্ভব ছিল ছোট্ট সাইবারির পক্ষে। ২০২৪ সালের এক সাক্ষাৎকারে সাইবারি বলেন,' হ্যাঁ আমার পায়ের পাতা ভিষণভাবে ভিতরের দিকে ছিল। আমাকে একটা মেশিন পরতে হত।' তিনি বলেন, সেই সময় 'চিকিৎসক আমার বাবা মাকে বলেছিলেন আমি হয়তো বাকি জীবনটা স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে নাও পারতে পারি।' তবে পরিস্থিতির কাছে হার মানেননি সাইবারির মা। ফুটবল তারকা বলছেন,' আমার মা শুধু একটাই প্রার্থনা করেছিলেন, যাতে আমি একটা স্বাভাবিক জীবন পেতে পারি।' সাইবারি বলছেন,'সেজন্য ফুটবল খেলোয়াড়ই যে হতে হবে বা অন্য কিছুই যে হতে হবে, তা নয়। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমার পায়ের পাতা এখন স্বাভাবিক আর দেহ সুস্থ রয়েছে।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe