ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এ নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচের শেষ পর্বে রুদ্ধশ্বাস গোলে মরক্কোকে রাউন্ড ১৬এ পৌঁছে দেন মরক্কোর স্টার ইসমাইল সাইবারি। গোলের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই উচ্ছ্বাসে ততক্ষণে ফেটে গোটা পড়ে মরক্কো টিম। শুরু হয় উচ্ছ্বসিত উজ্জাপন। তবে সতীর্থদের সেই উচ্ছ্বাস, গ্যালারি জুড়ে থাকা কয়েক হাজার ভক্তের জয়ধ্বনির মাঝে মরক্কোর এই স্টার গোলদাতার মনে তখন হয়তো ভেসে উঠেছিল একজনের মুখ… তিনি ইসমাইল সাইবারির মা! ম্যাচ শেষে মায়ের কাছে সাইবাড়ি ছুটে যেতেই, ছেলেকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাইবারির মা। মা, ছেলের একে অপরকে জড়িয়ে ধরে সেই আবেগঘন মুহূর্তের দৃশ্য এখন বিশ্বজুড়ে ভাইরাল! এই আবেগ যেন মনে করিয়ে দিচ্ছিল, সাইবারির ও তাঁর পরিবারের এক অসামান্য লড়াইয়ের পর্ব।

তথ্য বলছে, জন্মগত এক অসুস্থতার শিকার হয়েছিল সদ্যোজাত সাইবারি। জন্ম থেকেই সাইবারির দুটি পায়ের পাতায় ছিল সমস্যা। জানা যায়, তাঁর পায়ের দুটি পাতা এমনভাবে ভিতরের দিকে ছিল, যে শিশু অবস্থায় স্বাভাবিক হাঁটাচলার পক্ষে তা কষ্টকর ছিল। একটি ডিভাইসের সাহায্য ছাড়া চলাফেরা করা প্রায় অসম্ভব ছিল ছোট্ট সাইবারির পক্ষে। ২০২৪ সালের এক সাক্ষাৎকারে সাইবারি বলেন,' হ্যাঁ আমার পায়ের পাতা ভিষণভাবে ভিতরের দিকে ছিল। আমাকে একটা মেশিন পরতে হত।' তিনি বলেন, সেই সময় 'চিকিৎসক আমার বাবা মাকে বলেছিলেন আমি হয়তো বাকি জীবনটা স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে নাও পারতে পারি।' তবে পরিস্থিতির কাছে হার মানেননি সাইবারির মা। ফুটবল তারকা বলছেন,' আমার মা শুধু একটাই প্রার্থনা করেছিলেন, যাতে আমি একটা স্বাভাবিক জীবন পেতে পারি।' সাইবারি বলছেন,'সেজন্য ফুটবল খেলোয়াড়ই যে হতে হবে বা অন্য কিছুই যে হতে হবে, তা নয়। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমার পায়ের পাতা এখন স্বাভাবিক আর দেহ সুস্থ রয়েছে।'
রিপোর্ট বলছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা চিকিৎসা, অর্থপেডিক ডিভাইসের ওপর ভরসা রেখে সাইবারিকে নিয়ে সেই অবস্থা থেকে লড়াই চালিয়েছে তারর পরিবার। নিশ্চিত ছিলেন না চিকিৎসকও। তবে ২ বছর বয়সে প্রথমবার মাটিতে পা ফেলতে পারে সাইবারি। পা ফেলেই দৌড়তে চেয়েছিলেন, আর দৌড়তে পেরেই পায়ে বল চেয়েছিলেন! তখন তাঁরা থাকতেন স্পেনে, আর স্থানীয় যুবকদের দলে ভিড়ে ফুটবলে দাপট শুরু হয় সাইবারির। এরপর স্পেনের এই অভিবাসী পরিবারে আসে আরেক ঝড়। ২০০৭ সালে স্পেনে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে, ‘আমার বাবা নিজের চাকরি হারাতে বসেছিলেন’, সাক্ষাৎকারে বলেন সাইবারি। তিনি বলছেন,' যদিও মায়ের একটি ব্রেডের দোকান ছিল, তবে তা দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব ছিল।' এরপর স্পেন ছাড়তে হয়। বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডসে বড় হন সাইবারি। শেষে পৈর্তৃক ‘মূল’এর টানে মরক্কো! আর সদ্য বিশ্বকাপে সেই মরক্কোকে তিনি রাউন্ড ১৬ এ তুলে দিয়েছেন তাঁর ম্যাজিক-গোলে! গ্যালারিতে তাঁর মা দেখেছেন ম্যাচ। যে সন্তানের হাঁটাচলা নিয়ে উদ্বেগ ছিল খোদ চিকিৎসকের, সেই সন্তান পায়ের জাদুতে গোল করে দেশকে দিয়েছেন গর্ব.. যার পরতে পরতে সাক্ষী সাইবারির মা!
{{/usCountry}}রিপোর্ট বলছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা চিকিৎসা, অর্থপেডিক ডিভাইসের ওপর ভরসা রেখে সাইবারিকে নিয়ে সেই অবস্থা থেকে লড়াই চালিয়েছে তারর পরিবার। নিশ্চিত ছিলেন না চিকিৎসকও। তবে ২ বছর বয়সে প্রথমবার মাটিতে পা ফেলতে পারে সাইবারি। পা ফেলেই দৌড়তে চেয়েছিলেন, আর দৌড়তে পেরেই পায়ে বল চেয়েছিলেন! তখন তাঁরা থাকতেন স্পেনে, আর স্থানীয় যুবকদের দলে ভিড়ে ফুটবলে দাপট শুরু হয় সাইবারির। এরপর স্পেনের এই অভিবাসী পরিবারে আসে আরেক ঝড়। ২০০৭ সালে স্পেনে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে, ‘আমার বাবা নিজের চাকরি হারাতে বসেছিলেন’, সাক্ষাৎকারে বলেন সাইবারি। তিনি বলছেন,' যদিও মায়ের একটি ব্রেডের দোকান ছিল, তবে তা দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব ছিল।' এরপর স্পেন ছাড়তে হয়। বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডসে বড় হন সাইবারি। শেষে পৈর্তৃক ‘মূল’এর টানে মরক্কো! আর সদ্য বিশ্বকাপে সেই মরক্কোকে তিনি রাউন্ড ১৬ এ তুলে দিয়েছেন তাঁর ম্যাজিক-গোলে! গ্যালারিতে তাঁর মা দেখেছেন ম্যাচ। যে সন্তানের হাঁটাচলা নিয়ে উদ্বেগ ছিল খোদ চিকিৎসকের, সেই সন্তান পায়ের জাদুতে গোল করে দেশকে দিয়েছেন গর্ব.. যার পরতে পরতে সাক্ষী সাইবারির মা!
{{/usCountry}}