বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় জাপানের মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নকআউট পর্বের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় পেলেই শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত হবে সেলেসাওদের। ম্যাচের আগে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় ছিল তারকা ফরোয়ার্ড নেমারের একাদশে থাকা না থাকা। তবে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির বক্তব্যে স্পষ্ট, জাপানের বিপক্ষেও শুরু থেকেই মাঠে দেখা নাও যেতে পারে এই অভিজ্ঞ ফুটবলারকে।
ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি জানান, দীর্ঘ চোট কাটিয়ে ফেরা নেমার এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি ফিট। তবে তাঁকে কতক্ষণ খেলানো হবে, তা নির্ভর করবে ম্যাচের পরিস্থিতির ওপর। কোচের ভাষায়, গত এক সপ্তাহে নেমারের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। যদিও পুরো সময় দলের সঙ্গে অনুশীলন করার সুযোগ তিনি পাননি, তবুও এখন তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় মাঠে থাকার জন্য প্রস্তুত।
প্রায় ৯৮১ দিন পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ গ্রুপ ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সিতে ফিরেছিলেন নেমার। সেই ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে মাত্র ১৫ মিনিট খেলেছিলেন তিনি। আনচেলত্তির ইঙ্গিত অনুযায়ী, এবার জাপানের বিপক্ষে তাঁর খেলার সময় কিছুটা বাড়তে পারে। তবে শুরু থেকেই তাঁকে খেলানোর ঝুঁকি নিতে চাইছেন না ইতালীয় এই কোচ।
এদিকে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আক্রমণভাগে মাতেউস কুনিয়াকে নির্দিষ্ট কোনো পজিশনে না খেলানোর কৌশল সফল হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আনচেলত্তি। তাঁর মতে, খেলোয়াড়দের নিয়মিত পজিশন পরিবর্তন করলে প্রতিপক্ষের পক্ষে পরিকল্পনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। ব্রুনো গিমারায়েস, লুকাস পাকেতা এবং মাতেউস কুনিয়া গত দুই ম্যাচে সেই কৌশল সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ব্রাজিলের সামনে আজ তাই কঠিন পরীক্ষা। শৃঙ্খলাবদ্ধ ও গতিময় ফুটবলের জন্য পরিচিত জাপানকে হারাতে পারলেই শেষ ষোলো নিশ্চিত হবে। সেই সঙ্গে আগামী রোববার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে নরওয়ে অথবা আইভরিকোস্ট। সব মিলিয়ে নেমারের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন, আনচেলত্তির কৌশলগত পরিকল্পনা এবং নকআউট পর্বের চাপ—সবকিছু মিলিয়ে জাপান-ব্রাজিল ম্যাচটি হতে চলেছে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই।
{{/usCountry}}ব্রাজিলের সামনে আজ তাই কঠিন পরীক্ষা। শৃঙ্খলাবদ্ধ ও গতিময় ফুটবলের জন্য পরিচিত জাপানকে হারাতে পারলেই শেষ ষোলো নিশ্চিত হবে। সেই সঙ্গে আগামী রোববার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে নরওয়ে অথবা আইভরিকোস্ট। সব মিলিয়ে নেমারের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন, আনচেলত্তির কৌশলগত পরিকল্পনা এবং নকআউট পর্বের চাপ—সবকিছু মিলিয়ে জাপান-ব্রাজিল ম্যাচটি হতে চলেছে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই।
{{/usCountry}}