পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের রাউন্ডে পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড। টমাস টুখেলের শিষ্যরা পুরো ম্যাচে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বজায় রাখলেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি। বিরতিতে দুই দলই গোলশূন্য সমতায় মাঠ ছাড়ে। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৬২তম মিনিটে জুড বেলিংহামের গোলে অবশেষে জট খোলে ইংল্যান্ডের। মাত্র পাঁচ মিনিট পর দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক হ্যারি কেন। বেলিংহামের আক্রমণের ধারাবাহিকতায় তৈরি সুযোগ কাজে লাগিয়ে হেডে বল জালে জড়ান তিনি। এরপর আর কোনও গোল না হলেও স্বচ্ছন্দ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

এই গোলের মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবেও ইতিহাস গড়েছেন হ্যারি কেইন। বিশ্বকাপে এটি তাঁর ১১তম গোল, যা ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে ১০ গোল করে দেশের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের রেকর্ড ছিল কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারের। কয়েক দিন আগে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে সেই রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন কেইন। এবার পানামার বিপক্ষে গোল করে এককভাবে রেকর্ডের মালিক হয়ে গেলেন ৩২ বছর বয়সি এই স্ট্রাইকার।
অন্যদিকে, ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ক্রোয়েশিয়া-ঘানা ম্যাচে শুরু থেকেই জমে ওঠে লড়াই। ম্যাচের ৩১তম মিনিটে পেতার সুচিচের গোলে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। তবে ৭৩তম মিনিটে ডেরিক লুকাসেন গোল করে সমতা ফেরান ঘানার হয়ে। এতে নকআউটে ওঠা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত ৮৩তম মিনিটে লুকা মদরিচের কর্নার থেকে নিকোলা ভ্লাসিচের হেডে জয়সূচক গোল পায় ক্রোয়েশিয়া। ২-১ ব্যবধানে জিতে নকআউটে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে তারা।
এদিকে ৭১ ঘণ্টার দীর্ঘ অপেক্ষা শেষ পর্যন্ত পরিণত হলো হতাশায়। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা স্কটল্যান্ড শেষ পর্যন্ত শেষ ষোলোয় ওঠার স্বপ্ন পূরণ করতে পারল না। নিজেদের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ করার পর তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর মধ্যে সেরা আটে থাকার আশায় প্রায় তিন দিন অপেক্ষা করেছিল স্কটিশরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্রোয়েশিয়ার জয়ে সেই সম্ভাবনার ইতি ঘটে।
{{/usCountry}}এদিকে ৭১ ঘণ্টার দীর্ঘ অপেক্ষা শেষ পর্যন্ত পরিণত হলো হতাশায়। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা স্কটল্যান্ড শেষ পর্যন্ত শেষ ষোলোয় ওঠার স্বপ্ন পূরণ করতে পারল না। নিজেদের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ করার পর তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর মধ্যে সেরা আটে থাকার আশায় প্রায় তিন দিন অপেক্ষা করেছিল স্কটিশরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্রোয়েশিয়ার জয়ে সেই সম্ভাবনার ইতি ঘটে।
{{/usCountry}}'সি' গ্রুপে তিনটি ম্যাচ খেলে ৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছিল স্কটল্যান্ড। সরাসরি নকআউট পর্বে ওঠার জন্য সেই পয়েন্ট যথেষ্ট ছিল না। তাই অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের ওপর নির্ভর করতে হয়েছিল তাদের। কিন্তু 'এল' গ্রুপে ক্রোয়েশিয়া ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করায় স্কটল্যান্ডের আশা শেষ হয়ে যায়। এর ফলে ঘানাও ৪ পয়েন্ট নিয়ে শেষ বত্রিশে জায়গা নিশ্চিত করে, আর স্কটল্যান্ডকে বিদায় নিতে হয় দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর।