FIFA WC Semifinal Argentina vs England: গোল খেতেই ‘সিংহকে’ ছিঁড়ে খেল আর্জেন্টিনা! ২ অ্যাসিস্টে বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসি
FIFA WC Semifinal Argentina vs England: ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল। আর ২০২৬ সালে অবিশ্বাস্য কামব্যাক করে ফাইনালে উঠে গেল আর্জেন্টিনা। গোল না করলেও জোড়া অ্যাসিস্ট করলেন লিওনেস মেসি। তিনি নাচালেন পুরো ইংল্যান্ডকে।
FIFA WC Semifinal Argentina vs England: ৫৫ মিনিটে গোল হজম করেছিল। পরের প্রায় ৪৫ মিনিটে ‘থ্রি-লায়ন’ ইংল্যান্ডকে ছিঁড়ে খেল আর্জেন্টিনা। ‘ছিঁড়ে খেল’ শব্দবন্ধটা দিয়েও ঠিক বোঝানো যাচ্ছে না যে লিওনেল মেসিদের ঠিক কতটা আধিপত্য ছিল। এমনই খেলতে থাকে যে ৫৫ মিনিটে অ্যান্টনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে যাওয়ার পর থেকে ইংরেজদের কার্যত হাফ-লাইন পেরোতে দেয়নি ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মুহূর্মুহূ আক্রমণ আছড়ে পড়তে থাকে ইংরেজদের বক্সে। শেষপর্যন্ত ৮৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুর্ধর্ষ শটে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। সাত মিনিট পরেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে দেন লাউতারো মার্টিনেজ। মেসির পিন-পয়েন্ট ক্রস থেকে তাঁর হেডার জড়িয়ে যায় ইংল্যান্ডের জালে। আর সেই সুবাদে বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেলেন মেসিরা। আগামী রবিবার (ইংরেজি মতে ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবার রাত ১২ টা ৩০ মিনিট) ফাইনালে স্পেনের বিরুদ্ধে নামবেন।

হার্টবিট বাড়বে স্পেনের কোচের
আটলান্টায় মেসিদের পারফরম্যান্স দেখে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের হার্টবিট বেড়ে যাবে। এবার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা যতক্ষণ গোল না খাচ্ছে বা এক গোলে এগিয়ে আছে, ততক্ষণ বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দেখে মনে হচ্ছে যে কিছুটা মরচে ধরেছে। কিন্তু একবার গোল খেয়ে গেলে বা পিছিয়ে থেকে শেষ ২০ মিনিটে আলাদাই একটা আর্জেন্টিনাকে দেখা যাচ্ছে। প্রতিটা সেকেন্ডে দেখে মনে হচ্ছে যে এখনই গোল করে দেবে। যে ধারাটা অব্যাহত থাকল সেমিফাইনালেও।
দুই ‘লিওনেল’-র বাজিমাত
আর সেটার জন্য দুই ‘লিওনেল’-র প্রশংসা করতেই হবে। মেসি নিয়ে তো কিছু বলারই নেই। কিন্তু আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনিরও প্রশংসার প্রাপ্য। সেমিফাইনালে পিছিয়ে যেতেই একেবারে অল-আউট অ্যাটাকে চলে যান। প্রতিটি পরিবর্তনে আক্রমণে বাড়তি জোর দিয়েছেন। আর সেটার ফল দেখা গেল শেষপর্যন্ত। তাঁদের কাজটা আরও সহজ দেন ইংরেজ। গোল করেই পুরোপুরি খোলসে ঢুকে যায় ইংল্যান্ড। তার যা ফল হওয়ার, সেটাই হল।
ফুটবল নয়, প্রথমার্ধে কার্যত WWE ম্যাচ চলে
১) প্রথম ৪৫ মিনিটে যত না বেশি ফুটবল ম্যাচ হচ্ছিল, তার বেশি যেন WWE ম্যাচ চলে। ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই সাতটা ফাউল হয়। চারটিই করে আর্জেন্টিনা। যা এই বিশ্বকাপে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ।
২) প্রথমার্ধে দেওয়া হয় মোট ১৯টি ফাউল। ১২টি ফাউল করে আর্জেন্টিনা। সাতটি ফাউল করে ইংল্যান্ড। তাছাড়াও চোরাগোপ্তা ধাক্কাধাক্কি চলছিল।
৩) আর সেই স্ট্র্যাটেজিতে ইংল্যান্ডকে একটুও ছন্দ পেতে দেয়নি আর্জেন্টিনা। বরং বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা যখন সুযোগ পায়, তখনই ইংরেজদের বেকায়দায় ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। মূলত মেসিকে কেন্দ্র করেই সেই কৌশল বজায় রাখে আর্জেন্টিনা। আর মেসিও পাস, টার্নের মাধ্যমে নিজের ম্যাজিক দেখাতে থাকেন।
৪) প্রথমার্ধে দু'দলই দুটি করে শট নেয়। ইংরেজদের একটি শট তেকাঠিতে ছিল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


