FIFA World Cup 2026 Golden Boot Race: একমাত্র অধরা বিশ্বকাপের ‘গোল্ডেন বুটও’ মেসির হাতের মুঠোয়! ছিনিয়ে নিতে কত গোল চাই?
FIFA World Cup 2026 Golden Boot Race: একমাত্র যে জিনিসটা অধরা ছিল, সেটাও কার্যত নিজের হাতের মুঠোয় পুরে নিলেন লিওনেল মেসি। যা দেখে কলকাতার মেসি-ভক্ত সায়নী সেনগুপ্ত বললেন, ‘পৃথিবীর সবকিছু টেম্পোরারি। কিন্তু সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত এবং লিওনেল মেসি পার্মানেন্ট।’
FIFA World Cup 2026 Golden Boot Race: বিশ্বকাপ জিতেছেন। পরপর দু'বার বিশ্বকাপ জেতার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল পেয়েছেন। কিন্তু অধরা ছিল গোল্ডেন বুট (সবথেকে বেশি গোল)। নিজের (সম্ভবত) শেষ বিশ্বকাপে সেটাও জিতে যেতে পারেন লিওনেল মেসি। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া অ্যাসিস্টের পরে ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপেকে টপকে গোল্ডেন বুট তালিকার মগডালে উঠে গেলেন। তৃতীয় স্থানাধিকারী ম্যাচে এমবাপে যদি গোল করতে না পারেন, তাহলে আর্জেন্টিনার তারকার গোল্ডেন বুট কার্যত নিশ্চিত হয়ে যাবে। কারণ ফাইনালে যে খেলোয়াড়রা আছেন, তাঁদের মধ্যে মেসির সবথেকে কাছে আছেন মিকেল ওয়ারজাবাল। আর্জেন্টিনার তারকাকে ছাপিয়ে গোল্ডেন বুট জিততে গেলে স্পেনের তারকাকে কমপক্ষে চারটি গোল করতেই হবে (মেসি কোনও গোল করবেন না ধরে)। যেটা কার্যত অসম্ভব।

গোল্ডেন বুটের তালিকা- কে এগিয়ে আছেন?
১) লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা): ৮টি গোল করেছেন। অ্যাসিস্টের সংখ্যা ৪।
২) কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স): গোল করেছেন ৮টি। সেইসঙ্গে ৩টি অ্যাসিস্টও করেছেন।
৩) আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে): ৭টি গোল করেছেন।
৪) জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড): গোলের সংখ্যা ৬। অ্যাসিস্টের সংখ্যা ১।
৫) হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড): ৬টি গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট করেছেন ১টি।
৬) উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স): ৫টি গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট করেছেন ২টি।
৭) মিকেল ওয়ারজাবাল (স্পেন): গোল করেছেন ৫টি। অ্যাসিস্টের সংখ্যা ১।
সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত ও মেসি- পৃথিবীর ৩ পার্মানেন্ট বিষয়
আর যে পারফরম্যান্সের সুবাদে গোল্ডেন বুট পাওয়ার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে গেলেন মেসি, তা দেখার পরে নতুন করে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছে ফুটবল বিশ্ব। মেসির মুগ্ধতার ঘোরে আচ্ছন্ন হয়ে কলকাতার লিও-ভক্ত সায়নী সেনগুপ্ত বলেছেন, ‘সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত, এবং লিওনেল মেসি। পৃথিবীর সবকিছু টেম্পোরারি। কিন্তু এই তিনটে জিনিস পার্মানেন্ট।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, 'মেসি যতক্ষণ মাঠে আছে ততক্ষণ একটা বিশ্বাস কাজ করে‘ম্যাজিক হবেই। বহুবার হয়নি, বাজেভাবে হেরেছে কিন্তু কোনদিনও এই বিশ্বাসটা টলেনি। মেসির ফুটবল কেরিয়ারে গোল্ডেন বুট ছাড়া নতুন কিছু পাওয়ার নেই জেনেও শেষ অব্দিও বিশ্বাস ছিল – ম্যাজিক হবেই, হতেই হবে। ম্যাজিক হল…না হলেও বিশ্বাসটা আজও টলতো না।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


