ম্যাচ তখন শেষ বাঁশির অপেক্ষায়। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার পর রেফারি পাঁচ মিনিট অতিরিক্ত সময়ের ইঙ্গিত দেন। দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য ছিল এই সময়টুকু গোলশূন্য রেখে ম্যাচকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে দেন কানাডার অধিনায়ক স্টিভেন ইউস্টাকিও। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে তাঁর দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে আসে ম্যাচের একমাত্র গোল। সেই গোলেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে কানাডা।

লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব ৩২-এর এই ম্যাচটি ছিল দুই দলেরই প্রথম বিশ্বকাপ নকআউট লড়াই। এর আগে একাধিকবার বিশ্বকাপে অংশ নিলেও গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি কানাডা কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার প্রথম ধাপ অতিক্রম করার পর দুই দলই আরও এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামে।
শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে ছিল কানাডা। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা রক্ষণ সামলাতে বেশ সংগঠিত ছিল। প্রথমার্ধে কর্নার থেকে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি কানাডা। ৪৪তম মিনিটে ময়জে বমবিতোর শক্তিশালী হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন অব্রে মদিবা। ফিরতি বলে তেজন বুকানানের শটও অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস।
বিরতির ঠিক আগে রিচি লারিয়াকে বক্সের মধ্যে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় পেনাল্টির দাবি তোলে কানাডা। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনার পরও পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন কানাডার কোচ জেসি মার্শ। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার বজায় রাখে কানাডা। তানি ওলুওয়াসেয়ি একবার একা গোলরক্ষকের সামনে পৌঁছেও সুযোগ নষ্ট করেন। ফিরতি বলে জনাথন ডেভিডের প্রচেষ্টাও দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণভাগ প্রতিহত করে। চোট কাটিয়ে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তারকা আলফন্সো ডেভিস। তাঁর উপস্থিতিতে আক্রমণে কিছুটা গতি এলেও গোলের দেখা মিলছিল না।
সবকিছু যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেন ইউস্টাকিও। অ্যালিস্টার জনস্টনের ক্রস প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার হেডে বক্সের বাইরে পাঠিয়ে দিলে বুক দিয়ে বল নিয়ন্ত্রণে এনে নিচু শটে জাল কাঁপান তিনি। পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করা রনওয়েন উইলিয়ামসও শেষ পর্যন্ত সেই শট আটকাতে পারেননি। ঐতিহাসিক এই জয়ের ফলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল কানাডা। আগামী ৪ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হবে নেদারল্যান্ডস অথবা মরক্কো। নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এবার আরও বড় চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় কানাডা।
{{/usCountry}}সবকিছু যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেন ইউস্টাকিও। অ্যালিস্টার জনস্টনের ক্রস প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার হেডে বক্সের বাইরে পাঠিয়ে দিলে বুক দিয়ে বল নিয়ন্ত্রণে এনে নিচু শটে জাল কাঁপান তিনি। পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করা রনওয়েন উইলিয়ামসও শেষ পর্যন্ত সেই শট আটকাতে পারেননি। ঐতিহাসিক এই জয়ের ফলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল কানাডা। আগামী ৪ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হবে নেদারল্যান্ডস অথবা মরক্কো। নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এবার আরও বড় চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় কানাডা।
{{/usCountry}}