পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ইউরোপ জড়াতে চাইছে না। আমেরিকা অবশ্য ইউরোপকে চাপ দিচ্ছে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার জন্য। এরই মাঝে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্সান্ডার স্টাব দাবি করলেন, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধবিরতি করাতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ব্লুমবার্গকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় সাংবাদিকের প্রশ্নে এমনটা মন্তব্য করেন স্টাব। এই আবহে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ইরানে সংঘাত থামাতে আলনার বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই ভারত সফরে এসেছিলেন স্টাব। সেই সময় মোদীর সঙ্গে ইরান এবং ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল স্টাবের।

এই আবহে স্টাব বললেন, 'পশ্চিম এশিয়ায় আমরা চাই সংঘর্ষবিরতি হোক। এর জন্য ইউরোপ বা ভারত সমঝোতা করতে পারে। আমরা দেখেছি, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ইতিমধ্যেই সংঘর্ষবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আলোচনার কথা বলেছেন যাতে সেই অঞ্চলে উত্তাপ কমে আসে। এখানে সমস্যাটা হল, তিনটি পক্ষ- ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকা জড়িয়ে আছে এই সংঘাতে। এবং এই তিন পক্ষেরই পৃথক পৃথক উদ্দেশ্য আছে। এই আবহে তাদের পক্ষে শান্তির জন্য একত্রিত হওয়া একটু কঠিন।'
এদিকে ট্রাম্প যে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার জন্য ইউরোপীয় দেশগুলির সাহায্য চেয়েছে, তা নিয়ে স্টাব ন্যাটো দেশগুলিকে বললেন, 'মার্কিন প্রেসিডেন্ট যা বলছেন, তা আমাদের গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। যে দেশগুলির ক্ষমতা আছে, তাদের এই বিষয়ে সাহায্য করা উচিত। যদিও এই যুদ্ধের আগে তা নিয়ে মিত্রদের সঙ্গে ট্রাম্প কোনও আলোচনা করেননি। তবে আমি নিশ্চিত এখন তিনি এই বিষয়ে কথা বলবেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানির মতো দেশগুলির সাথে।'
তবে স্টাব যাই বলুন, ইউরোপ ট্রাম্পকে সাহায্য করতে নারাজ। সম্প্রতি জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্ৎজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর দেশ কোনও ভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেবে না, কারণ এই যুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘের মত নেই। এর পাশাপাশি যুদ্ধ জলদি শেষ করার বার্তা দেন তিনি। অপরদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিক কাহা কালাস আবার বলেছেন, 'ইরানের এই যুদ্ধ ইউরোপের যুদ্ধ নয়। আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি। এই যুদ্ধের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।' এদিকে কাহা কালাসের সঙ্গে কথা হয়েছে এস জয়শঙ্করের। সেই বৈঠককালে হরমুজ প্রণালী নিয়ে দুই পক্ষের কথাবার্তা হয়েছে বলে জানান কালাস।
{{/usCountry}}তবে স্টাব যাই বলুন, ইউরোপ ট্রাম্পকে সাহায্য করতে নারাজ। সম্প্রতি জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্ৎজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর দেশ কোনও ভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেবে না, কারণ এই যুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘের মত নেই। এর পাশাপাশি যুদ্ধ জলদি শেষ করার বার্তা দেন তিনি। অপরদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিক কাহা কালাস আবার বলেছেন, 'ইরানের এই যুদ্ধ ইউরোপের যুদ্ধ নয়। আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি। এই যুদ্ধের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।' এদিকে কাহা কালাসের সঙ্গে কথা হয়েছে এস জয়শঙ্করের। সেই বৈঠককালে হরমুজ প্রণালী নিয়ে দুই পক্ষের কথাবার্তা হয়েছে বলে জানান কালাস।
{{/usCountry}}