Fish Market named after PM Modi: মোদীর নামে মাছের বাজার! ‘উনি জীবনেও সামুদ্রিক জীবন খাননি, সম্পূর্ণ নিরাষিমাশী’

Fish Market named after PM Modi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নামে মাছের বাজারের নামকরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে পুরো বিতর্ক। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, ‘উনি জীবনেও সামুদ্রিক জীবন খাননি, সম্পূর্ণ নিরাষিমাশী।’

Published on: Aug 25, 2026, 16:47:57 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Fish Market named after PM Modi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নামে মাছের বাজারের নামকরণ করা হওয়ায় বিতর্ক তৈরি হল গুজরাটের সুরাটে। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুরাট পুরনিগমের তৈরি করা সেই নয়া বাজারে ঢোকার মুখেই বড়-বড় করে লেখা আছে ‘শ্রী নরেন্দ্র মোদী পাইকারি মাছের বাজার (Shree Narendra Modi Wholesale Fish Market)’। হোর্ডিংয়ের একটা কোণে প্রধানমন্ত্রীর ছবিও দেওয়া যাচ্ছে। আর তা নিয়ে আপত্তি জানান ব্যবসায়ীদের একাংশ। আর সেই বিতর্কের মধ্যে পুরনিগমের তরফে দাবি করা হয়েছে যে ওই মাছের বাজারের নামকরণ প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নামে মাছের বাজারের নামকরণ করা হয়েছে। (ছবি সৌজন্যে, এক্স @NDParmar123)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নামে মাছের বাজারের নামকরণ করা হয়েছে। (ছবি সৌজন্যে, এক্স @NDParmar123)

৯ কোটি টাকায় তৈরি হয়েছে বাজার

এমনিতে ওই বাজার তৈরির জন্য বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়েছে। পুরনিগমের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, নবনির্মিত বাজারে ৮০টি বড় পাইকারি দোকান আছে। খরচ পড়েছে নয় কোটি টাকা। কিন্তু যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত হয় বাজারের নাম ঘিরে।

আরও পড়ুন: Kolkata Girl Self-Defense Training: স্কুলছাত্রীদের আত্মরক্ষা শেখাচ্ছে কলকাতার ১৫ বছরের মেয়ে! 'প্রজাপতি' হচ্ছে 'লোহা'

‘মোদী জীবনে ছুঁয়ে দেখেননি সামুদ্রিক খাবারও’

পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যবসায়ী দাবি করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী মোদী আমিষ খাবার খান না। জীবনে ছুঁয়ে দেখেননি সামুদ্রিক খাবারও। বিষয়টি নিয়ে সুরেন্দ্র লাক্ষারি নামে এক মাছ ব্যবসায়ী বলেছেন, ‘নরেন্দ্র মোদী জীবনে কখনও সামুদ্রিক খাবার খাননি এবং তিনি একজন কট্টর নিরামিষভোজী। যেহেতু মোদী নিরামিষভোজী, তাই এই বোর্ডটি লাগানো উচিত নয়।’

মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির দিকে আঙুল তুলল পুরনিগম

যদিও বিতর্কের বাজারের নামকরণ নিয়ে সাফাই দিয়েছেন ‘দ্য সুরাট ফিশ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’-র সভাপতি কল্পেশ নাভসারিওয়ালা। যে প্রতিষ্ঠানের নাম ওই বিতর্কিত হোর্ডিংয়েও আছে। তিনি দাবি করেছেন, মোদীর নামে বাজারের নামকরণের বিষয়ে স্বাধীনভাবে একটি প্রস্তাব পাশ করা হয়েছিল। এই বাজার তৈরির জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা’-র আওতায় তিন কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

আরও পড়ুন: Bihar Students protest: পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে রণক্ষেত্র বিহার! পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ ছাত্রদের, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদীর চালু করা এই প্রকল্পের আওতায় বাজার নির্মাণের জন্য সুরাট পুরনিগম কর্তৃপক্ষ তিন কোটি টাকা পেয়েছিল। অন্যরা আমাদের জন্য কখনওই কিছু করেনি। এখন যেহেতু বাজার তৈরি হয়েছে এবং লাখ-লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত হয়েছে, তাই কারও কারও কাছে বিষয়টি গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।'

তবে সুরাট পুরনিগমের সেন্ট্রাল জোনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার আর ডি গাঞ্জাওয়ালা স্পষ্ট করেছেন যে, পুর কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই নামের অনুমোদন দেয়নি। সুরাট ফিশ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের তরফে পুরনিগমের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং সেন্ট্রাল জোন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়ে এই বাজারের নাম প্রধানমন্ত্রী মোদীর নামে রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

আরও পড়ুন: Abhijeet Dipke on Pakistan Connection: 'পাকিস্তানি যোগের কী হল?' প্রশ্ন ‘ককরোচ’ দীপকের, হুঁশিয়ারি দিলেন আবার এমন হলে……

সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই নামের হোর্ডিং বসানো হয়েছিল। আমরা তাদের (সুরাট ফিশ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন) বিষয়টি জানিয়েছি এবং তারা মৌখিকভাবে আশ্বাস দিয়েছে যে ওরা নিজেরাই এটি সরিয়ে নেবে।’

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More