Former Army Chief passed away: প্রয়াত ভারতের প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল বিশ্বনাথ শর্মা। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। তিনি ১৯৮৮ সালের ৩০ জুন থেকে ১৯৯০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ভারতের সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এক দীর্ঘ সামরিক ক্যারিয়ারে তিনি ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন।

তাঁর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছে সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে তাঁর মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও। জেনারেল শর্মা এক সম্ভ্রান্ত সামরিক পরিবারের সন্তান ছিলেন। স্বাধীন ভারতের প্রথম পরমবীর চক্র সম্মানে ভূষিত মেজর সোমনাথ শর্মা ছিলেন তাঁর দাদা। সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইট অনুসারে, ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় লাহোর সেক্টরে মেজর পদে কর্মরত অবস্থায় জেনারেল বিশ্বনাথ শর্মা বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করেন। পরবর্তীতে একটি আর্মার্ড রেজিমেন্টের কমান্ড সামলানোর পাশাপাশি তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টাফ ও প্রশিক্ষক পদে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর তিনি ব্রিগেডিয়ার পদে উন্নীত হন এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহপ্রবণ এলাকায় একটি মাউন্টেন ব্রিগেডের নেতৃত্ব দেন। অসাধারণ সেবার জন্য ১৯৭৭ সালে তাঁকে ‘অতি বিশিষ্ট সেবা পদক'-এ ভূষিত করা হয়। এরপর রাজস্থানের মরু অঞ্চলে একটি আর্মার্ড ব্রিগেডের দায়িত্ব নেন তিনি। ১৯৮০ সালে মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে তিনি পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টরে একটি মাউন্টেন ডিভিশনের কমান্ড গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নীত হয়ে ১৯৮৪ সালে তিনি পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টরে একটি কোরের অধিনায়কত্ব পান। দীর্ঘ ও গৌরবময় কর্মজীবনের জন্য তাঁকে ‘পরম বিশিষ্ট সেবা পদক’-এ ভূষিত করা হয়েছিল।
এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে সেনাবাহিনী বলেছে, 'সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠের এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর সকল পদমর্যাদার সদস্য প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল বিশ্বনাথ শর্মা, পিভিএসএম, এভিএসএম, এডিসি-র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনী তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।' অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, 'একজন বিশিষ্ট সামরিক নেতা হিসেবে জেনারেল শর্মা অবিচল নিষ্ঠা, সাহস এবং সম্মানের সঙ্গে জাতির সেবা করেছেন।' ১৯৩০ সালের ৪ জুন জন্মগ্রহণকারী জেনারেল শর্মা এমন এক পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন, যে পরিবারের দুটি প্রজন্ম সশস্ত্র বাহিনীতে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিল এবং যে পরিবার দেশকে তিন-তিনজন জেনারেল উপহার দিয়েছে। সেনাবাহিনী বলেছে, 'স্বাধীন ভারতের প্রথম পরমবীর চক্র পুরস্কারপ্রাপ্ত মেজর সোমনাথ শর্মা (পিভিসি)-এর ছোট ভাই হিসেবে তিনি তাঁর পরিবারের সাহস ও নিঃস্বার্থ সেবার অসাধারণ ঐতিহ্যকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সমুন্নত রেখেছেন।'
{{/usCountry}}এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে সেনাবাহিনী বলেছে, 'সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠের এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর সকল পদমর্যাদার সদস্য প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল বিশ্বনাথ শর্মা, পিভিএসএম, এভিএসএম, এডিসি-র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনী তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।' অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, 'একজন বিশিষ্ট সামরিক নেতা হিসেবে জেনারেল শর্মা অবিচল নিষ্ঠা, সাহস এবং সম্মানের সঙ্গে জাতির সেবা করেছেন।' ১৯৩০ সালের ৪ জুন জন্মগ্রহণকারী জেনারেল শর্মা এমন এক পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন, যে পরিবারের দুটি প্রজন্ম সশস্ত্র বাহিনীতে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিল এবং যে পরিবার দেশকে তিন-তিনজন জেনারেল উপহার দিয়েছে। সেনাবাহিনী বলেছে, 'স্বাধীন ভারতের প্রথম পরমবীর চক্র পুরস্কারপ্রাপ্ত মেজর সোমনাথ শর্মা (পিভিসি)-এর ছোট ভাই হিসেবে তিনি তাঁর পরিবারের সাহস ও নিঃস্বার্থ সেবার অসাধারণ ঐতিহ্যকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সমুন্নত রেখেছেন।'
{{/usCountry}}তিনি নৈনিতালের শেরউড কলেজ এবং দেরাদুনের প্রিন্স অফ ওয়েলস রাষ্ট্রীয় ইন্ডিয়ান মিলিটারি কলেজে শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তীতে দেরাদুনের ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমির ‘ফিফথ রেগুলার কোর্স’-এ যোগ দেন এবং ১৯৫০ সালের ৪ জুন '১৬ লাইট ক্যাভালরি'-তে কমিশন লাভ করেন। জেনারেল বিশ্বনাথ শর্মার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এমন একজন প্রাক্তন সেনাপ্রধানের জীবনাবসান ঘটল, যিনি ১৯৮৮ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডের ভূমিকা, সক্রিয় যুদ্ধ এবং বাহিনীর নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করেছেন।