Germany Gurudwara Clash: জার্মানির একটি গুরুদ্বারে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গত রবিবার ডুইসবার্গ-মোয়ার্স এলাকার ওই গুরুদ্বারে প্রার্থনাসভা চলাকালীন হঠাৎই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় পরিস্থিতি। ছুরি, কৃপাণ, পেপার স্প্রে এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অন্তত ৪০ জনের একটি দল। এই ভয়াবহ হামলায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।

জার্মান সংবাদপত্র বিল্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে জার্মানির ডর্টমুন্ড থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার পশ্চিমে মোয়ার্স শহরে। কী কারণে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, গুরুদ্বারের নতুন পরিচালন সমিতি বাছাইকে কেন্দ্রকে করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি অন্য সম্ভাব্য দিকগুলিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের কারণ কী?
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গুরুদ্বারের নতুন পরিচালন সমিতির নির্বাচন এবং তহবিলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরেই এই বিবাদ। প্রাক্তন ও বর্তমান বোর্ড সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতার লড়াই চলছিল। সেই বিবাদের সঙ্গে রবিবারের সংঘর্ষের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সংঘর্ষে ছুরি, কৃপাণের মতো ধারালো অস্ত্র ছাড়াও পেপার স্প্রে এবং এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ঘটনায় গুরুদ্বারের ভিতরে উপস্থিত মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে ভয়ে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় প্রায় ১০০ জন পুলিশ বাহিনী এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। পাশাপাশি আকাশপথে নজরদারির জন্য হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হয়। ওই ঘটনা প্রসঙ্গে ৫৬ বছর বয়সি এক প্রত্যক্ষদর্শী বিল্ড-কে বলেন, 'এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগেই এক পক্ষ হঠাৎ ‘পেপার স্প্রে’ বের করে অপর পক্ষের উপর তা ছিটিয়ে দিতে শুরু করে। এরপরে একজন পিস্তল বের করে গুলিও চালান। আমি ছুরিও দেখেছি।'
তিনি আরও জানান, গুরুদ্বারের তহবিল সংক্রান্ত বিষয়েও দু’পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। গুরুদ্বারের পরিচালন সমিতির বর্তমান এবং প্রাক্তন সদস্যদের মধ্যে এই নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল বলেও জানা যাচ্ছে। অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, 'বেশ কিছুদিন ধরেই সমস্যা, সংঘাত চলছিল। বিশেষ করে প্রভাব খাটানো নিয়ে। কে শেষ কথা বলবে, তা নিয়েই দ্বন্দ্ব। রবিবার সংঘর্ষ শুরু হলে আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয় পুণ্যার্থীদের মধ্যে। আরও ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে পারত। ভাগ্যক্রমে কারও প্রাণ নিয়ে সংশয় নেই।' এদিকে, আহতদের ঘটনাস্থলেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, অধিকাংশ মানুষ মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। গুরুদ্বার থেকে গুলির খোল উদ্ধার হলেও, এখনও পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রটির নাগাল পায়নি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, সৌভাগ্যবশত এই ঘটনায় কারও আঘাতই প্রাণঘাতী নয়। তবে এই হামলার নেপথ্যে আর কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।
{{/usCountry}}তিনি আরও জানান, গুরুদ্বারের তহবিল সংক্রান্ত বিষয়েও দু’পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। গুরুদ্বারের পরিচালন সমিতির বর্তমান এবং প্রাক্তন সদস্যদের মধ্যে এই নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল বলেও জানা যাচ্ছে। অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, 'বেশ কিছুদিন ধরেই সমস্যা, সংঘাত চলছিল। বিশেষ করে প্রভাব খাটানো নিয়ে। কে শেষ কথা বলবে, তা নিয়েই দ্বন্দ্ব। রবিবার সংঘর্ষ শুরু হলে আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয় পুণ্যার্থীদের মধ্যে। আরও ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে পারত। ভাগ্যক্রমে কারও প্রাণ নিয়ে সংশয় নেই।' এদিকে, আহতদের ঘটনাস্থলেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, অধিকাংশ মানুষ মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। গুরুদ্বার থেকে গুলির খোল উদ্ধার হলেও, এখনও পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রটির নাগাল পায়নি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, সৌভাগ্যবশত এই ঘটনায় কারও আঘাতই প্রাণঘাতী নয়। তবে এই হামলার নেপথ্যে আর কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।
{{/usCountry}}