...
...
Next Story

Germany Gurudwara Clash: চলল গুলি-কৃপাণ নিয়ে চড়াও! দুই গোষ্ঠীর খণ্ডযুদ্ধে রণক্ষেত্র জার্মানির গুরুদ্বার

Germany Gurudwara Clash: প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গুরুদ্বারের নতুন পরিচালন সমিতির নির্বাচন এবং তহবিলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরেই এই বিবাদ। প্রাক্তন ও বর্তমান বোর্ড সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতার লড়াই চলছিল।

Published on: Apr 21, 2026 01:47 PM IST
Advertisement

Germany Gurudwara Clash: জার্মানির একটি গুরুদ্বারে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গত রবিবার ডুইসবার্গ-মোয়ার্স এলাকার ওই গুরুদ্বারে প্রার্থনাসভা চলাকালীন হঠাৎই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় পরিস্থিতি। ছুরি, কৃপাণ, পেপার স্প্রে এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অন্তত ৪০ জনের একটি দল। এই ভয়াবহ হামলায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।

রণক্ষেত্র জার্মানির গুরুদ্বার (সৌজন্যে টুইটার)
রণক্ষেত্র জার্মানির গুরুদ্বার (সৌজন্যে টুইটার)

জার্মান সংবাদপত্র বিল্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে জার্মানির ডর্টমুন্ড থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার পশ্চিমে মোয়ার্স শহরে। কী কারণে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, গুরুদ্বারের নতুন পরিচালন সমিতি বাছাইকে কেন্দ্রকে করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি অন্য সম্ভাব্য দিকগুলিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের কারণ কী?

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গুরুদ্বারের নতুন পরিচালন সমিতির নির্বাচন এবং তহবিলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরেই এই বিবাদ। প্রাক্তন ও বর্তমান বোর্ড সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতার লড়াই চলছিল। সেই বিবাদের সঙ্গে রবিবারের সংঘর্ষের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সংঘর্ষে ছুরি, কৃপাণের মতো ধারালো অস্ত্র ছাড়াও পেপার স্প্রে এবং এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ঘটনায় গুরুদ্বারের ভিতরে উপস্থিত মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে ভয়ে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় প্রায় ১০০ জন পুলিশ বাহিনী এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। পাশাপাশি আকাশপথে নজরদারির জন্য হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হয়। ওই ঘটনা প্রসঙ্গে ৫৬ বছর বয়সি এক প্রত্যক্ষদর্শী বিল্ড-কে বলেন, 'এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগেই এক পক্ষ হঠাৎ ‘পেপার স্প্রে’ বের করে অপর পক্ষের উপর তা ছিটিয়ে দিতে শুরু করে। এরপরে একজন পিস্তল বের করে গুলিও চালান। আমি ছুরিও দেখেছি।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe