India-Pakistan Relation Update: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে আবারও কূটনৈতিক সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন দুই দেশের ১১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁরা যৌথভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিয়মিত সংলাপ পুনরায় শুরু করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত নয়াদিল্লিভিত্তিক সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড প্রোগ্রেসের প্রধান ওপি শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক 'স্বস্তিদায়ক নয়' এবং এর প্রভাব শুধু দুই দেশের সরকার নয়, সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকাতেও পড়ছে। তাঁর মতে, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং সাধারণ মানুষই তার সবচেয়ে বড় মূল্য চোকায়। ওপি শাহ বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক গোটা উপমহাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্তে উত্তেজনা বা সংঘাতের আশঙ্কা বিনিয়োগ, বাণিজ্য, পর্যটন এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য সংলাপের বিকল্প নেই বলেই তিনি মনে করেন।
যৌথ চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত ও অর্থবহ আলোচনা চালিয়ে গেলে আস্থা তৈরি হবে এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যাগুলির সমাধানের পথও সুগম হতে পারে। তাঁদের মতে, সংলাপই এমন একটি মাধ্যম, যার মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি ও আঞ্চলিক সমৃদ্ধির পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তবে পাকিস্তান থেকে মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই ওপি শাহ বলেন, ২৬/১১ মুম্বই হামলা, পুলওয়ামা কিংবা পাহেলগামের মতো সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাগুলি অত্যন্ত গুরুতর। কিন্তু সেই কারণেই আলোচনা বন্ধ না করে বরং সন্ত্রাসবাদ-সহ সমস্ত বিতর্কিত বিষয় কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে তুলে ধরা উচিত। তাঁর মতে, সন্ত্রাসবাদ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয়গুলি নিয়ে ধারাবাহিক সংলাপই সমাধানের পথ দেখাতে পারে।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে কোনও পরিস্থিতিতেই যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়া উচিত নয়। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন স্তরে নিয়মিত আলোচনা চললে উভয় দেশ একে অপরের অবস্থান, সীমাবদ্ধতা ও উদ্বেগ সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারবে। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমবে এবং সংঘাতের সম্ভাবনাও হ্রাস পাবে। সম্প্রতি অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের কঠোর অবস্থান এবং ভবিষ্যতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতির প্রসঙ্গেও ওপি শাহ বলেন, কঠিন পরিস্থিতিতেও সংলাপের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। তাঁর দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের অসংখ্য মানুষ যুদ্ধ নয়, শান্তিই চান। আরও বহু মানুষ এই শান্তি উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানাতে আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
{{/usCountry}}তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে কোনও পরিস্থিতিতেই যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়া উচিত নয়। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন স্তরে নিয়মিত আলোচনা চললে উভয় দেশ একে অপরের অবস্থান, সীমাবদ্ধতা ও উদ্বেগ সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারবে। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমবে এবং সংঘাতের সম্ভাবনাও হ্রাস পাবে। সম্প্রতি অপারেশন সিঁদুরের পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের কঠোর অবস্থান এবং ভবিষ্যতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতির প্রসঙ্গেও ওপি শাহ বলেন, কঠিন পরিস্থিতিতেও সংলাপের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। তাঁর দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের অসংখ্য মানুষ যুদ্ধ নয়, শান্তিই চান। আরও বহু মানুষ এই শান্তি উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানাতে আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
{{/usCountry}}