গুজরাট এটিএসের হাতে এবার পাকড়াও একের পর এক সন্দেহভাজন একাধিক জইশ জঙ্গি। তাদের গ্রেফতারি থেকে সন্ত্রাসী নাশকতার গোপন নীল নক্সা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, ধৃতদের মধ্যে ২ জন জঙ্গি অপারেটিভ গিয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরে। তারা সেখানে একে ৪৭ চালনা সহ একাধিক ধরনের বিশেষ ট্রেনিং পায়। তাদের ট্রেনিং-র লিস্ট এখানেই শেষ নয়। তথ্য বলছে, অস্ত্র চালনায় পারদর্শিতার পাশাপাশি ওই জইশ জঙ্গিরা বায়োক্যামিক্যাল দিয়ে নাশকতার প্যাঁয়তারাতেও প্রশিক্ষিত হয়। তারা বিশেষভাবে লিথাল কার্বন মনোঅক্সাইড গ্যাস তৈরির ট্রেনিং পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। যে বিষাক্ত গ্যাস, তারা নাগরিকদের টার্গেট করতে ব্যবহার করার গোপন মতলবে ছিল বলে খবর।

জানা যাচ্ছে, জইশ জঙ্গিদের এই মডিউল, জনৈক আবদুল্লা নামের এক হ্যান্ডেলার চালাচ্ছিল। ওই মডিউলের জঙ্গিদের সন্ত্রাসের ৪০ টি ভিন্ন প্যাঁয়তারা শেখানো হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। তার মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট নিপুণতায় বম্ব তৈরি থেকে শুরু করে, দৈনন্দিন ব্যবহারের জৈব পদার্থ মাটির নিচে পচনের জন্য ফেলে রেখে বিষাক্ত গ্যাস উৎপাদনও শেখানো হয়েছে। তাদের নেটওয়ার্ককে স্থানীয় পর্যায়ে সংহত করার লক্ষ্যে এবং লজিস্টিক্যাল পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, ওই সেলের সদস্যরা এক কাশ্মীরি যুবকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ভাদোদরাতেও গিয়েছিল বলে খবর।
এদিকে,এটিএস জানিয়েছে, যে সন্দেহভাজনরা আটটি ভিন্ন স্থানে বোমা বিস্ফোরণের পরীক্ষা ( বম্ব টেস্ট) চালিয়েছিল। এই পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের পর, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সোডিয়াম ফসফেট ও আলগা তারের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো জনসমাগমপূর্ণ এলাকার আবর্জনার পাত্রে ফেলে দিয়েছিল। ফরেনসিক দলগুলো পরবর্তীতে সেগুলো উদ্ধার ও বিশ্লেষণের জন্য বাজেয়াপ্ত করেছে।
এই বিপুল নাশকতার কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় টাকাও এই জিশ মডিউলের কাছে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। তাদের ‘হ্যান্ডলার’-এর কাছ থেকে পাওয়া ৩ লাখ টাকা দিয়ে সন্দেহভাজনরা রেকিই বা নজরদারি চালানোর জন্য একটি গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল কেনে। গ্রেফতারের সময় তারা আহমেদাবাদে ‘গার্ডেন-স্টাইল’ হোটেল খুঁজছিল, যাকে তারা প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল।মডিউলের গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ৪৩টি জেহাদি বই ও ডিজিটাল নির্দেশিকাও উদ্ধার করা হয়েছে। মূল ষড়যন্ত্রকারী আমিন শেরা নামে এক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে যুবকদের উগ্রপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
{{/usCountry}}এই বিপুল নাশকতার কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় টাকাও এই জিশ মডিউলের কাছে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। তাদের ‘হ্যান্ডলার’-এর কাছ থেকে পাওয়া ৩ লাখ টাকা দিয়ে সন্দেহভাজনরা রেকিই বা নজরদারি চালানোর জন্য একটি গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল কেনে। গ্রেফতারের সময় তারা আহমেদাবাদে ‘গার্ডেন-স্টাইল’ হোটেল খুঁজছিল, যাকে তারা প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল।মডিউলের গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ৪৩টি জেহাদি বই ও ডিজিটাল নির্দেশিকাও উদ্ধার করা হয়েছে। মূল ষড়যন্ত্রকারী আমিন শেরা নামে এক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে যুবকদের উগ্রপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
{{/usCountry}}