Gyanesh Kumar Daughter Medha Roopam: এলাহাবাদ হাইকোর্টের চূড়ান্ত ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন গৌতম বুদ্ধনগরের জেলাশাসক মেধা রূপম। জাতীয় সুরক্ষা আইনের (এনএসএ) আওতায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ বছরের ছাত্রী আকৃতি চৌধুরীকে আটক করার ঘটনার জন্য নয়ডার জেলাশাসক-সহ পুলিশের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত উষ্মাপ্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। শুধু তাই নয়, জেলাশাসক এবং স্টেশন হাউস অফিসার (SHO) পর্যন্ত ওই ঘটনায় যুক্ত থাকা প্রত্যেকের বেতন থেকে টাকা কেটে আকৃতিকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের বিচারপতি অতুল শ্রীধরণ এবং বিচারপতি আচল সচদেব। যে জেলাশাসক আবার ভারতের মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মেয়ে। তিনিই জাতীয় সুরক্ষা আইনের আওতায় আটকের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেজন্য অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট।
এপ্রিলে নয়ডায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ হয়েছিল

আর যে আকৃতির ঘটনায় হাইকোর্ট এরকম ভর্ৎসনা করেছে, তার সঙ্গে যোগ আছে গত এপ্রিলে হওয়া নয়ডার শ্রমিকদের বিক্ষোভের সময়। মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন শ্রমিকরা। সেই ঘটনার রেশ ধরে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে স্নাতক আকৃতিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৩ মে আকৃতি এবং সাংবাদিক সত্য বর্মার বিরুদ্ধে জাতীয় সুরক্ষা আইনের ধারা চাপায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।
আমলাতন্ত্র ও পুলিশের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট
সেই রেশ ধরে ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট যে ১৫ পৃষ্ঠার আদেশ দিয়েছে, তাতে আমলাতন্ত্র ও পুলিশের ভূমিকার বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, অফিসারদের উপরে হাতে বিপুল ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয়েছে, যাতে কারণ নাগরিকদের সাংবিধানিক ও আইনি অধিকারের দায়িত্ব আছে তাঁদের হাতেই। নাগরিকদের সম্মান, কল্যাণের মতো বিষয় নিশ্চিত করতে হয় তাঁদের।
কঠোর বার্তা হাইকোর্টের
{{/usCountry}}কঠোর বার্তা হাইকোর্টের
{{/usCountry}}হাইকোর্ট অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলছে, আমলা এবং পুলিশ অফিসারদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে তাঁদের আনুগত্য সংবিধানের প্রতি, কোনও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের প্রতি নয়। তাঁরা হলেন জনগণের সেবক। গণতন্ত্রে জনগণই হল প্রভু। এই প্রেক্ষাপটে হাইকোর্ট সতর্ক করে দিয়েছে যে আমলা ও পুলিশ আধিকারিকরা যখন নিজেদের শপথ উপেক্ষা করে কোনও কাজ করেন, তখন জনগণ তাঁদের ব্রিটিশ আমলের নিপীড়ক ব্যবস্থারই একটি অবশিষ্টাংশ হিসেবে গণ্য করতে পারে। তাতে জনগণের মধ্যে তৈরি হতে পারে অসন্তোষ।