...
...
Next Story

Gynaecological Cancer Survivors: গাইনিকোলজিক্যাল ক্যানসারকে হারানো মহিলাদের ফ্যাশন শো কলকাতায়, জোগালেন মনের জোর

গাইনিকোলজিক্যাল ক্যানসারকে হারানো মহিলাদের নিয়ে আয়োজন করা হল বিশেষ ফ্যাশন শো।

Updated on: Sep 28, 2026, 15:46:58 IST
Advertisement

গাইনিকোলজিক্যাল ক্যানসারকে হারানো মহিলাদের নিয়ে আয়োজন করা হল বিশেষ ফ্যাশন শো। যে মহিলারা একসময় জীবনের চরম অনিশ্চয়তা ও শারীরিক যন্ত্রণা পার করেছেন, তাঁরাই আত্মবিশ্বাস নিয়ে র‍্যাম্পে হাঁটেন। ক্যানসার ধরা পড়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে না পড়ে কীভাবে সাহস, আত্মবিশ্বাস, চিকিৎসকদের সঠিক গাইডেন্স এবং পরিবারের মানুষদের সহযোগিতায় মারণব্যাধিকে পরাস্ত করা সম্ভব, তা নিয়েও বার্তা দেন।

গাইনিকোলজিক্যাল ক্যানসারকে হারানো মহিলাদের নিয়ে আয়োজন করা হল বিশেষ ফ্যাশন শো।
গাইনিকোলজিক্যাল ক্যানসারকে হারানো মহিলাদের নিয়ে আয়োজন করা হল বিশেষ ফ্যাশন শো।

কলকাতার মণিপাল হাসপাতালের (ইএম বাইপাস) আয়োজিত সেই ‘দ্য কারেজ ওয়াক'-তে যোগ দিয়ে নৃত্যশিল্পী তনুশ্রী শঙ্কর বলেন, ‘এই সারভাইভারদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে র‍্যাম্পে হাঁটতে দেখা সত্যিই ভীষণ অনুপ্রেরণাদায়ক। নাচ আমায় শিখিয়েছে কঠিন সময়ের পরও শরীর ও মন নতুন করে শক্তি ফিরে পায়। ক্যানসারের চিকিৎসা শেষ হওয়া মানেই সব শেষ নয়, বরং সেখান থেকেই জীবনের নতুন সম্ভাবনা ও আনন্দের শুরু হয়।’

একইসুরে দূরদর্শনের প্রাক্তন সঞ্চালক চৈতালি দাশগুপ্ত বলেন, ‘ক্যানসার নিয়ে সমাজে খোলাখুলি কথা বলা খুব দরকার। মহিলাদের উচিত নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং সময়মতো পরীক্ষা করানো।'

আর গাইনোলজিক্যাল ক্যানসারের বিষয়ে অরুণাভ রায় (এইচওডি - গাইনিকোলজিক্যাল অনকোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস এবং সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গাইনিকোলজিক্যাল অনকোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে ও সল্টলেক) বলেন, ‘ভারতে গাইনিকোলজিক্যাল ক্যানসারের সমস্যা এখনও যথেষ্ট বড়। ২০২২ সালে শুধু সার্ভিক্যাল ক্যানসারেই আনুমানিক ৭৯ হাজার নতুন রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। এর পাশাপাশি ওভারিয়ান এবং ইউটেরাইন ক্যানসারেরও যথেষ্ট সমস্যা রয়েছে। এই সংখ্যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সচেতনতা বাড়ানো, সময়মতো রোগ ধরা এবং সঠিক চিকিৎসা পাওয়া কতটা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যে গল্পগুলি শুনলাম, সেগুলি মনে করিয়ে দেয় যে ক্যানসার জীবনের একটি কঠিন অধ্যায় হতে পারে। কিন্তু এটি কোনও মহিলার পুরো জীবনকে ঠিক করে দেয় না। আমরা আশা করি, এই গল্পগুলি আরও বেশি মহিলাকে নিজেদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে সচেতন হতে, কোনও অস্বাভাবিক লক্ষণকে গুরুত্ব দিতে এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে উৎসাহিত করবে।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks