...
...
Next Story

H1B Visa Fraud by Indian-American: এইচ-১বি ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে মার্কিন নাগরিকত্ব হারানোর মুখে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও

অভিযোগ, ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে নীরজ শর্মা একাধিক ভুয়ো এইচ-১বি ভিসা আবেদন জমা দিয়েছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, এসব আবেদনের ক্ষেত্রে এমন চাকরির প্রস্তাব দেখানো হয়েছিল, যেগুলির বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই ছিল না।

Published on: Jun 10, 2026, 10:06:05 IST
Advertisement

ভারতে জন্মগ্রহণকারী মার্কিন নাগরিক ও ব্যবসায়ী নীরজ শর্মা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব হারাতে পারেন। মার্কিন বিচার বিভাগ তাঁর বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা এবং এইচ-১বি (H-1B) ভিসা জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নাগরিকত্ব বাতিলের মামলা শুরু করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ৫০ বছর বয়সি নীরজ শর্মা নিউ জার্সিভিত্তিক স্টাফিং সংস্থা ম্যাগ্নাভিশন এলএলসি-র প্রধান ছিলেন। অভিযোগ, ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তিনি একাধিক ভুয়ো এইচ-১বি ভিসা আবেদন জমা দিয়েছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, এসব আবেদনের ক্ষেত্রে এমন চাকরির প্রস্তাব দেখানো হয়েছিল, যেগুলির বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই ছিল না।

২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে নীরজ শর্মা একাধিক ভুয়ো এইচ-১বি ভিসা আবেদন জমা দিয়েছিলেন।
২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে নীরজ শর্মা একাধিক ভুয়ো এইচ-১বি ভিসা আবেদন জমা দিয়েছিলেন।

মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ২০১৭ সালে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় শর্মা শপথ নিয়ে বলেছিলেন যে তিনি কোনও অপরাধ করেননি বা সরকারি কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করেননি। পরে তদন্তে উঠে আসে যে তাঁর বিরুদ্ধে তখনই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তি ছিল। সেই তথ্য গোপন করেই তিনি মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করেন বলে অভিযোগ। মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি মোট ১৭ জন স্বাভাবিকীকরণের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা প্রতারণা, তথ্য গোপন বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করেছিলেন। নীরজ শর্মা সেই তালিকায় থাকা একমাত্র ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তি।

মার্কিন আইনে জন্মসূত্রে পাওয়া নাগরিকত্ব বাতিল করা যায় না। তবে যদি প্রমাণিত হয় যে কেউ প্রতারণা, তথ্য গোপন বা ইচ্ছাকৃত মিথ্যা তথ্য দিয়ে নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন, তাহলে আদালতের মাধ্যমে তাঁর নাগরিকত্ব বাতিল করা সম্ভব। নীরজ শর্মার ক্ষেত্রেও সেই প্রক্রিয়াই শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপকে ট্রাম্প প্রশাসনের বৃহত্তর অভিবাসন জালিয়াতি বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন সম্প্রতি নাগরিকত্ব ও ভিসা সংক্রান্ত প্রতারণার অভিযোগে তদন্ত এবং আইনি পদক্ষেপ আরও জোরদার করেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe