...
...
Next Story

HAL Tejas Fighter Jet Update: তেজস Mk1A যুদ্ধবিমান সরবরাহে দেরি, হ্যালের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ভাবনা কেন্দ্রের

রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য অর্ডার করা তেজস Mk1A বিমানের একটিও এখনও হাতে পায়নি বায়ুসেনা। নির্ধারিত সময়সীমা বহু আগেই পেরিয়ে গেলেও সরবরাহ শুরু হয়নি। তাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। হ্যালকে চুক্তি অনুযায়ী দ্রুত বিমান হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

Published on: Jun 10, 2026, 08:28:16 IST
Advertisement

ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য তেজস Mk1A যুদ্ধবিমান তৈরি করছে হ্যাল। তবে এই যুদ্ধবিমান সরবরাহে দীর্ঘ বিলম্ব ঘটছে। বায়ুসেনা প্রধান এই নিয়ে নিজে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। আর তেজস ডেলিভারির বিলম্বের জেরে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা বা অন্য কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে সম্প্রতি হওয়া এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়সীমা বহু আগেই পেরিয়ে গেলেও তেজসের সরবরাহ শুরু হয়নি
নির্ধারিত সময়সীমা বহু আগেই পেরিয়ে গেলেও তেজসের সরবরাহ শুরু হয়নি

রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য অর্ডার করা তেজস Mk1A বিমানের একটিও এখনও হাতে পায়নি বায়ুসেনা। নির্ধারিত সময়সীমা বহু আগেই পেরিয়ে গেলেও সরবরাহ শুরু হয়নি। এর জেরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। হ্যালকে চুক্তি অনুযায়ী দ্রুত বিমান হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আশা, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ১৮ থেকে ২৪টি তেজস Mk1A যুদ্ধবিমান প্রস্তুত হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই লক্ষ্য পূরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তেজস Mk1A প্রকল্পে বিলম্বের অন্যতম কারণ হিসেবে অতীতে মার্কিন সংস্থা GE-এর F404 ইঞ্জিন সরবরাহে দেরির কথা জানিয়েছিল হ্যাল। সংস্থার দাবি ছিল, কয়েকটি বিমান প্রস্তুত থাকলেও ইঞ্জিন না পাওয়ায় হস্তান্তর সম্ভব হয়নি।

এই প্রকল্প ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরনো যুদ্ধবিমান ধাপে ধাপে সরিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস Mk1A-কে বায়ুসেনার মূল শক্তিগুলির অন্যতম হিসেবে দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই ডেলিভারিতে এই দীর্ঘ বিলম্ব এখন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe