ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য তেজস Mk1A যুদ্ধবিমান তৈরি করছে হ্যাল। তবে এই যুদ্ধবিমান সরবরাহে দীর্ঘ বিলম্ব ঘটছে। বায়ুসেনা প্রধান এই নিয়ে নিজে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। আর তেজস ডেলিভারির বিলম্বের জেরে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা বা অন্য কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে সম্প্রতি হওয়া এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য অর্ডার করা তেজস Mk1A বিমানের একটিও এখনও হাতে পায়নি বায়ুসেনা। নির্ধারিত সময়সীমা বহু আগেই পেরিয়ে গেলেও সরবরাহ শুরু হয়নি। এর জেরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। হ্যালকে চুক্তি অনুযায়ী দ্রুত বিমান হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আশা, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ১৮ থেকে ২৪টি তেজস Mk1A যুদ্ধবিমান প্রস্তুত হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই লক্ষ্য পূরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তেজস Mk1A প্রকল্পে বিলম্বের অন্যতম কারণ হিসেবে অতীতে মার্কিন সংস্থা GE-এর F404 ইঞ্জিন সরবরাহে দেরির কথা জানিয়েছিল হ্যাল। সংস্থার দাবি ছিল, কয়েকটি বিমান প্রস্তুত থাকলেও ইঞ্জিন না পাওয়ায় হস্তান্তর সম্ভব হয়নি।
এই প্রকল্প ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরনো যুদ্ধবিমান ধাপে ধাপে সরিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস Mk1A-কে বায়ুসেনার মূল শক্তিগুলির অন্যতম হিসেবে দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই ডেলিভারিতে এই দীর্ঘ বিলম্ব এখন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।
তবে সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন সংস্থাটি নাকি হ্যালকে আস্বস্ত করেছে, জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ২০টি ইঞ্জিন সরবরাহ করা হবে। এই আবহে গত মে মাসে ভারতীয় বিমান বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক হয় হ্যালের। সেখানে তেজস সরবরাহের ইস্যুতে কথা হয় দুই পক্ষের। তবে এতকিছুর পরও তেজসের ডেলিভারি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গিয়েছে।
{{/usCountry}}তবে সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন সংস্থাটি নাকি হ্যালকে আস্বস্ত করেছে, জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ২০টি ইঞ্জিন সরবরাহ করা হবে। এই আবহে গত মে মাসে ভারতীয় বিমান বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক হয় হ্যালের। সেখানে তেজস সরবরাহের ইস্যুতে কথা হয় দুই পক্ষের। তবে এতকিছুর পরও তেজসের ডেলিভারি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গিয়েছে।
{{/usCountry}}