Haldiram's UK Outlet: লন্ডনে উদ্বোধনের পর উপচে পড়া ভিড় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়ার পাওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লেস্টার স্কয়ারের রেস্তোরাঁটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিল ‘হলদিরাম'স ইউকে।' ব্র্যান্ডটির অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট-এর বায়ো আপডেট করে রেস্তোরাঁ বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, ‘ইউকেপিএন’-এর ইলেক্ট্রিক্যাল কাজের জন্য ২০২৬ সালের ২১ জুলাই থেকে রেস্তোরাঁটি বন্ধ রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'আমরা খুব শীঘ্রই ফিরে আসছি। নজর রাখুন!'

এদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ‘এনএস_ক্যাফে_’ নামক একটি ইনস্টাগ্রাম পেজের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রেস্তোরাঁটির দরজায় একটি নোটিশ ঝুলিয়ে সেটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। নোটিশে লেখা রয়েছে, 'সাময়িক বন্ধের বিজ্ঞপ্তি। অনুগ্রহ করে লক্ষ্য করুন, ইউকেপিএন-এর পূর্বনির্ধারিত বিদ্যুৎ ও গ্যাস আপগ্রেড সংক্রান্ত কাজের জন্য আমাদের রেস্তোরাঁটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পুনরায় খোলার তারিখ আমরা দ্রুত জানিয়ে দেব এবং স্বাভাবিক পরিষেবা চালু হলে আপনাকে আবারও স্বাগত জানানোর জন্য আমরা উন্মুখ হয়ে আছি। এই প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের কাজের কারণে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং আপনাদের ধৈর্য ও সহযোগিতার প্রশংসা করছি। পরবর্তী আপডেটের জন্য আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে নজর রাখুন।'
'ইউকেপিএন' বলতে বোঝায় 'ইউকে পাওয়ার নেটওয়ার্কস', যা লন্ডন এবং দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে। এর থেকে স্পষ্ট যে এটি কর্তৃপক্ষের পূর্বপরিকল্পিত পরিকাঠামোগত কাজ, রেস্তোরাঁর নিজস্ব কোনও ত্রুটি বা সমস্যা নয়। চলতি বছরের জুনে লেস্টার স্কয়ারের ১৯-২০ আরভিং স্ট্রিটে ইউকে-তে নিজেদের প্রথম রেস্তোরাঁ চালু করে হলদিরামস। ৩,০০০ বর্গফুটের এই রেস্তোরাঁয় ১২০ জনের বসার ব্যবস্থা রয়েছে, পাশাপাশি বাইরে আরও ২০টি আসন রয়েছে। উদ্বোধনের মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এমন সাময়িক বন্ধের ঘটনা ঘটল। সাধারণত হলদিরামস তাদের কুইক-সার্ভিস বা দ্রুত খাবারের কাউন্টারের জন্য পরিচিত হলেও, লন্ডনের এই শাখাটিতে একটি প্রিমিয়াম ক্যাজুয়াল ডাইনিংয়ের অভিজ্ঞতা দেওয়া শুরু হয়েছিল। এখানকার মেনুতে ছোলে ভাটুরে, পাও ভাজি, রাজ কচুরি, রকমারি চাট এবং বিশেষত লন্ডন আউটলেটের জন্য তৈরি ফিউশন ডেজার্ট অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া রেস্তোরাঁটিতে টেক-অ্যাওয়ে বা প্যাকেজড মিষ্টি ও স্ন্যাকস কেনার জন্য একটি আলাদা রিটেল সেকশনও রাখা হয়েছে।
উদ্বোধনের দিন থেকেই রেস্তোরাঁর বাইরে ভোজনরসিকদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছিল এবং লন্ডনে বসবাসকারী ভারতীয়দের মধ্যে এটি দ্রুত চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রেস্তোরাঁটি পুনরায় খোলার বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
{{/usCountry}}উদ্বোধনের দিন থেকেই রেস্তোরাঁর বাইরে ভোজনরসিকদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছিল এবং লন্ডনে বসবাসকারী ভারতীয়দের মধ্যে এটি দ্রুত চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রেস্তোরাঁটি পুনরায় খোলার বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
{{/usCountry}}