...
...
Next Story

HAMMER Missile Latest Update: রাফালে জুড়বে ভারতে তৈরি হ্যামার, অপারেশন সিঁদুরে ব্যবহার করা হয়েছিল এই মিসাইল

৫০-৫০ শতাংশ অংশীদারিত্বে একটি যৌথ উদ্যোগ এই মিসাইল তৈরি করা হবে। এই মর্মে ভারত ও ফ্রান্স গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগ ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর দিকে একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

Published on: Feb 19, 2026, 07:46:39 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

রাফাল যুদ্ধবিমানে এবার লাগানো হবে ভারতে তৈরি হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্র। উল্লেখ্য, আগামী দিনে ভারতেই তৈরি হতে চলেছে রাফাল যুদ্ধবিমান। আর সেই রাফালেই শক্তিশালী হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্র বসানো হবে। ভারত ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেডের (বিইএল) সহায়তায় ভারতেই তৈরি করা হবে এই মিসাইল। ফ্রান্সের স্যাফ্রন ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ডিফেন্স এই কাজে হাত মেলাবে ভারতের সঙ্গে। ৫০-৫০ শতাংশ অংশীদারিত্বে একটি যৌথ উদ্যোগ এই মিসাইল তৈরি করা হবে। এই মর্মে ভারত ও ফ্রান্স গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগ ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর দিকে একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

৫০-৫০ শতাংশ অংশীদারিত্বে একটি যৌথ উদ্যোগ এই মিসাইল তৈরি করা হবে ভারতে। (PTI)
৫০-৫০ শতাংশ অংশীদারিত্বে একটি যৌথ উদ্যোগ এই মিসাইল তৈরি করা হবে ভারতে। (PTI)

এই হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত ভাবে আঘাত করতে পারে। এই মিসাইলের বেশ কয়েকটি সংস্করণ রয়েছে, যা ১৫০ থেকে হাজার কেজি পর্যন্ত ওজনের বোমা এবং বিস্ফোরক বহন করার ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে ভারতের বিমান বাহিনীর কাছে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান রয়েছে। সেই রাফালে হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কিছু মিরাজ বিমানেও এটি লাগানো হয়েছে। ভারত নিয়মিতভাবে ফ্রান্স থেকে এই মিসাইলগুলি কিনে থাকে। এর আগে ২০২৫ সালে অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানি জঙ্গি শিবির গুঁড়িয়ে দিতে হ্যামার মিসাইল ব্যবহার করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।

আগামীতে নৌবাহিনীর জন্য ২৬টি রাফাল এবং বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি রাফাল কিনবে ভারত। আর এবার রাফালের হ্যামার মিসাইল ভারতেই তৈরি হওয়ায় তা দেশের সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্র সীমান্তের ওপারে থাকা সন্ত্রাসী শিবির, বাঙ্কারগুলি ধ্বংস করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মিসাইল। স্যাফ্রনের তৈরি এই হ্যামার ‘এয়ার টু সারফেস’ ক্ষেপণাস্ত্র জিপিএস, ইনফ্রারেড বা লেজার ব্যবহার করে স্থির ও গতিশীল দুই ধরনের টার্গেটকেই ধ্বংস করতে সক্ষম। এদিকে হ্যামার ভারতে তৈরি হলে তা বায়ুসেনার চাহিদা যেমন মেটাবে তেমনই তা রফতানিও করা যেতে পারে। এর আগে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতে ব্রহ্মোস মিসাইল তৈরি করতে শুরু করেছিল দেশে। সেই মিসাইল অন্য দেশে রফতানিও করা হয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe