Indian Diplomat Destroys Pakistan: 'অনেক কষ্ট করেও পাকিস্তানের এমন উদাহরণ পেলাম না..', খোঁচা ভারতের, নিশানা সেনাকেও
Indian Diplomat Destroys Pakistan: রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে পাকিস্তানকে চরম কটাক্ষ করলেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ রঘু পুরী। তাঁর আক্রমণ থেকে বাদ গেল না ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি সেনাও। একেবারে তুলোধোনা করলেন।
Indian Diplomat Destroys Pakistan: রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে চরম কটাক্ষ করল ভারত। নিশানা করল ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি সেনাকেও। আসলে সংখ্যালঘু ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনার সময় ভারতীয় কূটনীতিবিদ রঘু পুরী তুলে ধরেন যে কীভাবে হাজার-হাজার বছর ধরে বৈচিত্র্যের মধ্যেই এগিয়ে চলেছে ভারত। কীভাবে আলাদা-আলাদা ধর্ম, আলাদা-আলাদা জাতি, আলাদা-আলাদা ভাষার মধ্যেও ঐক্যবদ্ধ থেকেছে দেশ। কীভাবে রাষ্ট্রের প্রধান থেকে শুরু করে সামরিক বাহিনীর প্রধানের পদে আসীন হয়ে সংখ্যালঘুরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, তাও তুলে ধরেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ। সেই রেশ ধরে পাকিস্তানকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন যে অনেক কষ্ট করেও পাকিস্তানের এমন কোনও উদাহরণ পাওয়া যায়নি।

'বৈচিত্র্য ভারতের সভ্যতার মূল আদর্শ'
তাঁর কথায়, ‘ভারত বিশ্বের এমন দেশ; যেখানে সবথেকে বেশি ধর্ম, সবথেকে বেশি বহু-জাতিগোষ্ঠী এবং বেশি ভাষার সমাজ আছে। বৈচিত্র্য আমাদের সভ্যতার একটি মূল আদর্শ হয়ে রয়েছে। আর সেটা নিয়ে আমরা গর্বিত। এটা ভাষাগত এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিষয়ে আমাদের সংবিধানে একটি সুনির্দিষ্ট বিধানের রূপ নিয়েছে। কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের আওতাধীন আমাদের স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন এই বিষয়টির উপরে নজর রাখে।’
বলিউডের উদাহরণও দেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ
সেই রেশ ধরে রাষ্ট্রপতি, ভারতের সামরিক বাহিনী থেকে শুরু করে বলিউড এবং ভারতীয় সংস্থার শীর্ষে থাকা মানুষদের উদাহরণ দেন কূটনীতিবিদ। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র ও সরকারের প্রধান থেকে শুরু করে আমাদের সামরিক বাহিনী ও আইন প্রণয়নকারী এজেন্সি-সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বলিউড থেকে শুরু করে ভারতীয় বহুজাতিক কোম্পানির সিইও - গর্বের সঙ্গে আমরা এটাও বলতে চাই যে ভারতের আর্থিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নে সংখ্যালঘুরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।’
আরও পড়ুন: Afghanistan-Pakistan: আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ বাধানোর ষড়যন্ত্র! বালোচভূমে ভয়ংকর নীল নকশা আসিম মুনিরের
পাকিস্তানি সেনাকেও নিশানা ভারতীয় কূটনীতিবিদের
কিন্তু পাকিস্তানে সেরকম কোনও নজির নেই বলে ইসলামাবাদকে কটাক্ষ করে ভারতীয় কূটনীতিবিদ বলেন, ‘আমি অনেক কষ্ট করেও পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এরকম উদাহরণ খুঁজে পেলাম না। যে দেশের প্রতিনিধিরা প্রত্যাশিতভাবেই এই মঞ্চের অপব্যবহার করে আমাদের দেশ নিয়ে একটি ভুয়ো ছবি তুলে ধরার চেষ্টা করেছিল। অবশ্যই পাকিস্তানের আসল পাকিস্তানি সেনা (ওদের দেশে) সুপ্রিম বা সর্বোচ্চ। (সেই পরিস্থিতিতে) আমরা পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের বাধ্যবধকতা আমরা পুরোপুরি বুঝতে পারছি।’
পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের প্রতি ‘সহানুভূতি’ দেখিয়েও তাঁদের দেশের মুখোশটা টেনে খুলে দেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ। তিনি জানান, খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে শুরু বালোচিস্তানে ভয়াবহ আকারে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে, আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা বলে কিছু নেই পাকিস্তানে। লাগাতার কমে যাচ্ছে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা। তারপরও ক্রমশ খাদের কিনারায় তলিয়ে যেতে থাকা অর্থনীতির থেকে নজর ঘোরাতে পাকিস্তান বিশ্বমঞ্চে মিথ্যে ছড়াচ্ছে বলে কড়া ভাষায় জানান ভারতীয় কূটনীতিবিদ।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


