বিতর্কে জড়াল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগের একটি ছবি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। এরপর থেকেই হিন্দুফোবিয়ার অভিযোগ উঠেছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। ক্রমবর্ধমান চাপ ও প্রতিবাদের মধ্যে হার্ভার্ডের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগ এই ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে। তবে বিতর্কটি কী?
রিপোর্ট অনুযায়ী, 'প্রারম্ভিক সংস্কৃত পাঠ্যক্রম' প্রচারের জন্য একটি শিল্পকর্ম ব্যবহার করেছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগ। 'মাস্টার অফ পাপেটস' শিরোনামের এই শিল্পকর্মটি তৈরি করেছিলেন ভারতীয় শিল্পী অনিরুদ্ধ সাইনাথ। দাবি করা হয়েছিল যে চিত্রকর্মটি মহাভারত এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলার থিমে তৈরি করা হয়েছিল। তবে হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবহৃত ছবিটি সংস্কৃত ভাষা এবং হিন্দু ধর্মকে নেতিবাচক এবং আপত্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই আবহে 'কোয়ালিশন অফ হিন্দুস অফ নর্থ আমেরিকা' নামক একটি সংগঠন এর তীব্র বিরোধিতা করে।
এই আবহে হার্ভার্ডের ডিপার্টমেন্ট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ এক বিবৃতিতে বলেছে, 'আমাদের সংস্কৃত প্রোগ্রাম নিয়ে একটি স্পর্শকাতর ছবি পোস্ট করায় আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। আমাদের বিভাগের সংস্কৃত শেখানোর দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং আমরা এই ভাষা এবং এর সাথে যুক্ত বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।' ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধ করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও বিশ্ববিদ্যালয় স্পষ্ট করে দিয়েছে। একই সঙ্গে 'লক্ষ্মী মিত্তল অ্যান্ড ফ্যামিলি সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউট'-র সঙ্গে এই পোস্টের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। হিন্দু সংগঠনগুলি হার্ভার্ডের এই বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, হার্ভার্ড তার ওয়েবসাইটে 'ধ্রুপদী সংস্কৃত'কে এমন একটি ভাষা হিসাবে বর্ণনা করেছে যা প্রায় তিন সহস্রাব্দ ধরে দক্ষিণ এশিয়ার বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক জীবনকে রূপ দিয়েছে। এটি দেবতাদের ভাষা হিসাবেও উল্লেখ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশীয় স্টাডিজ বিভাগ প্রাথমিক, মধ্যবর্তী এবং উন্নত স্তরে সংস্কৃত কোর্স পড়ায়। এই পাঠ্যক্রমগুলিতে মহাভারত, রামায়ণ এবং বিভিন্ন দার্শনিক গ্রন্থ পড়ানো হয়।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, হার্ভার্ড তার ওয়েবসাইটে 'ধ্রুপদী সংস্কৃত'কে এমন একটি ভাষা হিসাবে বর্ণনা করেছে যা প্রায় তিন সহস্রাব্দ ধরে দক্ষিণ এশিয়ার বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক জীবনকে রূপ দিয়েছে। এটি দেবতাদের ভাষা হিসাবেও উল্লেখ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশীয় স্টাডিজ বিভাগ প্রাথমিক, মধ্যবর্তী এবং উন্নত স্তরে সংস্কৃত কোর্স পড়ায়। এই পাঠ্যক্রমগুলিতে মহাভারত, রামায়ণ এবং বিভিন্ন দার্শনিক গ্রন্থ পড়ানো হয়।
{{/usCountry}}