...
...
Next Story

Harvard Hindu phobia Controversy: হিন্দুফোবিয়ার অভিযোগ হার্ভার্ডের নামে, বিতর্কের মাঝে ক্ষমা চাইল মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়

'প্রারম্ভিক সংস্কৃত পাঠ্যক্রম' প্রচারের জন্য একটি শিল্পকর্ম ব্যবহার করেছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগ। 'মাস্টার অফ পাপেটস' শিরোনামের এই শিল্পকর্মটি তৈরি করেছিলেন ভারতীয় শিল্পী অনিরুদ্ধ সাইনাথ। সেটা ঘিরেই বিতর্ক।

Published on: Feb 28, 2026, 12:39:19 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বিতর্কে জড়াল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগের একটি ছবি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। এরপর থেকেই হিন্দুফোবিয়ার অভিযোগ উঠেছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। ক্রমবর্ধমান চাপ ও প্রতিবাদের মধ্যে হার্ভার্ডের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগ এই ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে। তবে বিতর্কটি কী?

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগের 'মাস্টার অফ পাপেটস' শিরোনামের একটি শিল্পকর্ম ঘিরে বিতর্ক (REUTERS)
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগের 'মাস্টার অফ পাপেটস' শিরোনামের একটি শিল্পকর্ম ঘিরে বিতর্ক (REUTERS)

রিপোর্ট অনুযায়ী, 'প্রারম্ভিক সংস্কৃত পাঠ্যক্রম' প্রচারের জন্য একটি শিল্পকর্ম ব্যবহার করেছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগ। 'মাস্টার অফ পাপেটস' শিরোনামের এই শিল্পকর্মটি তৈরি করেছিলেন ভারতীয় শিল্পী অনিরুদ্ধ সাইনাথ। দাবি করা হয়েছিল যে চিত্রকর্মটি মহাভারত এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলার থিমে তৈরি করা হয়েছিল। তবে হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবহৃত ছবিটি সংস্কৃত ভাষা এবং হিন্দু ধর্মকে নেতিবাচক এবং আপত্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই আবহে 'কোয়ালিশন অফ হিন্দুস অফ নর্থ আমেরিকা' নামক একটি সংগঠন এর তীব্র বিরোধিতা করে।

এই আবহে হার্ভার্ডের ডিপার্টমেন্ট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ এক বিবৃতিতে বলেছে, 'আমাদের সংস্কৃত প্রোগ্রাম নিয়ে একটি স্পর্শকাতর ছবি পোস্ট করায় আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। আমাদের বিভাগের সংস্কৃত শেখানোর দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং আমরা এই ভাষা এবং এর সাথে যুক্ত বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।' ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধ করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও বিশ্ববিদ্যালয় স্পষ্ট করে দিয়েছে। একই সঙ্গে 'লক্ষ্মী মিত্তল অ্যান্ড ফ্যামিলি সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউট'-র সঙ্গে এই পোস্টের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। হিন্দু সংগঠনগুলি হার্ভার্ডের এই বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe