কিছু মাস আগেই দিল্লিতে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে উঠে এসেছিল হরিয়ানার আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ। এছাড়াও তারও আগে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের এক সন্ত্রাস-কেন্দ্রিক তদন্তে উঠে আসা ডাক্তার মডিউলের সন্ত্রাসী সন্দেহভাজনদের সঙ্গে আল ফালাহর যোগ মেলে। এরপরই নড়েচড়ে বসে কেন্দ্র। আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ উঠে আসার পর এবার আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল হরিয়ানা সরকার।

আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে বহু বেনিয়মের অভিযোগ আগেই ছিল। এবার হরিয়ানা সরকার এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অধিগ্রহণ করে নিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসক হিসাবে এক আইএএস অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছে। সিনিয়র আইএএস অফিসার অমিত আগরওয়াল প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন এবং তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ও প্রশাসনিক বিষয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো শাসনব্যবস্থাকে স্থিতিশীল করা এবং প্রায় ১,৭০০ শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা। পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে, হরিয়ানা রাজ্য সরকার জে সি বোস বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদ পরিচালনার জন্য নিযুক্ত করেছে। অজয় রাঙ্গা উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন এবং রাজীব কুমার সিং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। রবি কুমার শর্মা প্রধান অর্থ ও হিসাব কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন এবং মেহা শর্মা রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। রেজিস্ট্রার এবং অর্থ বিভাগেও নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
গত ১০ নভেম্বর, ২০২৫ সালে দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর থেকেই সন্ত্রাসী শিবিরের একাধিক সন্দেহভাজনের সঙ্গে আল ফালার যোগ মিলেছিল। বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা আগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২,৯০০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। পুলিশ এটিকে কাশ্মীর, হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশ জুড়ে বিস্তৃত একটি হোয়াইট-কলার সন্ত্রাসী মডিউল হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা জইশ-ই-মোহাম্মদ এবং আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত। এরপর থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের স্ক্যানারে। ইতিমধ্যেই আল ফালার ১৪০ কোটির সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে ইডি। ইতিমধ্যেই আল ফালাহর প্রধান জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিও গ্রেফতার হয়েছেন।
{{/usCountry}}গত ১০ নভেম্বর, ২০২৫ সালে দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর থেকেই সন্ত্রাসী শিবিরের একাধিক সন্দেহভাজনের সঙ্গে আল ফালার যোগ মিলেছিল। বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা আগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২,৯০০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। পুলিশ এটিকে কাশ্মীর, হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশ জুড়ে বিস্তৃত একটি হোয়াইট-কলার সন্ত্রাসী মডিউল হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা জইশ-ই-মোহাম্মদ এবং আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত। এরপর থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের স্ক্যানারে। ইতিমধ্যেই আল ফালার ১৪০ কোটির সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে ইডি। ইতিমধ্যেই আল ফালাহর প্রধান জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিও গ্রেফতার হয়েছেন।
{{/usCountry}}