...
...
Next Story

অঙ্কিত বালিয়ান হত্যা কাণ্ডে বড় আপডেট! উত্তরপ্রদেশের শামলিতে পুলিশের এনকাউন্টারে খতম ২ সন্দেহভাজন

কিছুদিন আগেই প্রকাশ্য দিবালোকে হরিয়ানভি সঙ্গীত জগতের পরিচিত মুখ গায়ক অঙ্কিত বালিয়ানকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয় এবং সঙ্গীত শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

Published on: Aug 31, 2026, 08:29:33 IST
Advertisement

উত্তরপ্রদেশের অপরাধ জগতের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এক চাঞ্চল্যকর এনকাউন্টারে খতম হলো হরিয়ানভি গায়ক অঙ্কিত বালিয়ান হত্যা মামলার দুই প্রধান অভিযুক্ত। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) এবং স্থানীয় শামলি জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে শামলি জেলায় কুখ্যাত এই দুই দুষ্কৃতী নিহত হয়।

অঙ্কিত বালিয়ান হত্যা কাণ্ডে বড় আপডেট! পুলিশের এনকাউন্টারে খতম ২ সন্দেহভাজন (HT_PRINT)
অঙ্কিত বালিয়ান হত্যা কাণ্ডে বড় আপডেট! পুলিশের এনকাউন্টারে খতম ২ সন্দেহভাজন (HT_PRINT)

কিছুদিন আগেই প্রকাশ্য দিবালোকে হরিয়ানভি সঙ্গীত জগতের পরিচিত মুখ গায়ক অঙ্কিত বালিয়ানকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয় এবং সঙ্গীত শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এনকাউন্টারে দুই মূল শুটারের মৃত্যুর পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল চক্র চুরমার করতে সক্ষম হয়েছে প্রশাসন।

১. যেভাবে চলল যৌথ অভিযান: শামলির রক্তক্ষয়ী এনকাউন্টার

পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গোপন সূত্রের ভিত্তিতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) খবর পায় যে, অঙ্কিত বালিয়ান হত্যায় সরাসরি যুক্ত থাকা দুই প্রধান শুটার শামলি জেলার একটি নির্জন এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে এবং সেখান থেকে অন্যত্র পালানোর ছক কষছে।

  • ঘেরাও ও গুলির লড়াই: খবর পাওয়ামাত্রই শামলি থানা পুলিশ এবং এসটিএফ-এর একটি যৌথ দল এলাকাটি ঘিরে ফেলে। দুষ্কৃতীদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হলে তারা পুলিশ লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।
  • পাল্টা জবাব: আত্মরক্ষার্থে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনীও পালটা গুলি চালায়। দু পক্ষে বেশ কয়েক রাউন্ড গোলাগুলির পর দুই শুটার গুরুতর আহত হয়।
  • হাসপাতালে মৃত্যু: আহত দুষ্কৃতীদের তড়িঘড়ি নিকটবর্তী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ এবং একটি মোটর বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

২. কী ঘটেছিল গায়ক অঙ্কিত বালিয়ানের সঙ্গে?

উত্তরপ্রদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের কঠোর মনোভাব আরও একবার স্পষ্ট হলো এই এনকাউন্টারের মাধ্যমে। রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অপরাধ করে পার পাওয়ার দিন শেষ। গায়ক অঙ্কিত বালিয়ানকে নৃশংসভাবে হত্যার পেছনে যারা নির্দেশদাতার ভূমিকা পালন করেছিল, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।

এই এনকাউন্টারের পর শামলি এবং আশেপাশের জেলাগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। গায়কের পরিবার এবং তাঁর অনুগামীরা পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করলেও সম্পূর্ণ বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে আসল ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

হরিয়ানভি গায়ক অঙ্কিত বালিয়ান হত্যা মামলায় দুই প্রধান শুটারের এনকাউন্টারে মৃত্যু উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অপরাধ দমন অভিযানে এক বিশাল সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের এই কঠোর বার্তা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, রাজ্যে সংঘটিত যেকোনো বড় অপরাধের দ্রুত এবং কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত প্রশাসন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe