...
...
Next Story

High Court on Muslim Woman's Citizenship: নথিতে জন্মের তারিখ '৩০.০২.১৯৯০',মুসলিম মহিলাকে ভারতীয় হিসেবে মানল না হাই কোর্ট

এর আগে বিদেশি ট্রাইব্যুনালও সেই মহিলাকে ভারতীয় হিসেবে মানতে অস্বীকার করে। ট্রাইব্যুনালের সেই আগের রায় বহাল রেখে আদালত জানিয়েছে, শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্যের ভিত্তিতে কোনও ব্যক্তি তাঁর পূর্বপুরুষদের সঙ্গে সম্পর্ক প্রমাণ করতে পারেন না।

Published on: May 30, 2026, 10:26:57 IST
Advertisement

অসমে বসবাসকারী এক মুসলিম মহিলাকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করল গুয়াহাটি হাই কোর্ট। এর আগে বিদেশি ট্রাইব্যুনালও সেই মহিলাকে ভারতীয় হিসেবে মানতে অস্বীকার করে। ট্রাইব্যুনালের সেই আগের রায় বহাল রেখে আদালত জানিয়েছে, শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্যের ভিত্তিতে কোনও ব্যক্তি তাঁর পূর্বপুরুষদের সঙ্গে সম্পর্ক প্রমাণ করতে পারেন না। নাগরিকত্বের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রয়োজন যথাযথ ও গ্রহণযোগ্য নথিগত প্রমাণ।

অসমে বসবাসকারী এক মুসলিম মহিলাকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করল গুয়াহাটি হাই কোর্ট। (প্রতীকী ছবি) (AFP)
অসমে বসবাসকারী এক মুসলিম মহিলাকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করল গুয়াহাটি হাই কোর্ট। (প্রতীকী ছবি) (AFP)

এই মামলাটি প্রথম শুরু হয় ২০০৬ সালে। দরং জেলার পুলিশ সুপার মহিলার নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে বিষয়টি বিদেশি ট্রাইব্যুনালে পাঠান। পরে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে ওই মহিলা নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করেন এবং সেই দাবির সমর্থনে ৯টি নথি ও কয়েক জন সাক্ষী পেশ করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, তিনি আকাশ আলি নামে এক ব্যক্তির বংশধর, যার নাম ১৯৬৬ সালের ভোটার তালিকায় ছিল।

তবে শুনানির সময় একটি অস্বাভাবিক বিষয় আদালতের নজরে আসে। মহিলার দেওয়া নথিতে তাঁর জন্মতারিখ উল্লেখ ছিল '৩০.০২.১৯৯০'। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ফেব্রুয়ারি মাসে কখনও ৩০ দিন হয় না। ফলে ওই জন্মতারিখ স্বাভাবিকভাবেই অবৈধ ও প্রশ্নসাপেক্ষ। বিচারপতি সঞ্জয় কুমার মেধি এবং বিচারপতি প্রাঞ্জল দাসের বেঞ্চ এই বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে।

মহিলা ১৯৯৩ সালের ভোটার তালিকায় নূর ইসলাম ও জহুরা নামে দুই ব্যক্তির নাম দেখিয়ে তাঁদের নিজের বাবা-মা বলে দাবি করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি জানান, তাঁর দাদু আকাশ আলির নাম পরবর্তী একটি ভোটার তালিকায় আবু বক্কর নামে নথিভুক্ত হয়েছিল এবং দু’টি নাম একই ব্যক্তির। কিন্তু আদালত এই যুক্তি গ্রহণ করেনি। আদালতের মতে, শুধুমাত্র নামের মিল বা পারিবারিক দাবি করলেই নাগরিকত্বের যোগসূত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না। সেই সম্পর্ক প্রমাণ করার জন্য নির্ভরযোগ্য নথি ও প্রত্যক্ষ প্রমাণ প্রয়োজন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe