G-20 সভাপতির দায়িত্ব হস্তান্তর US ‘জুনিয়র’ অফিসারকে করল না দ. আফ্রিকা! কেন? তুঙ্গে কূটনৈতিক পারদ
দক্ষিণ আফ্রিকা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে হস্তান্তর পরে হবে, সম্ভবত তার পররাষ্ট্র মন্ত্রকের ভবনে।
জি২০র ২০২৫ শীর্ষ সম্মেলন শেষে রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকায় এক পারদ চড়ানো কূটনৈতিক পরিস্থিতি দেখা যায়। উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা চলতি জি ২০ শীর্ষ সম্মেলনের সভাপতিত্বের দায়িত্বে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর সেই সভাপতিত্বের দায়িত্ব যাওয়ার কথা আমেরিকার কাছে। তবে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও সাফ জানিয়েছেন, তিনি এই সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না। ফলত, মার্কিন মুলুক কার্যত এই সম্মেলন বয়কট করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ জি২০ ভূক্ত একাধিক দেশের প্রতিনিধি তথা রাষ্ট্রপ্রধানরা এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতেই সম্মেলন শেষে জি২০র পরবর্তী সম্মেলনের সভাপতিত্বের প্রতীকী দায়িত্বভার মার্কিন 'জুনিয়র' অফিসারের হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আমেরিকার কূটনৈতিক চাপানোতর বেশ কিছু সময় ধরেই চলছে। দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বিতর্কিত জমি অধিগ্রহণের আইন নিয়ে ওয়াশিংটন ও প্রিটোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বেশ কিছু সময় ধরে বেড়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার সংসদ কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে ক্ষতিপূরণ ছাড়াই জমি অধিগ্রহণের অনুমতি দিয়ে আইন পাস করেছে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ আফ্রিকাকে সাহায্য বন্ধ করার হুমকিও দেন। আর যেদিন তিনি এই হুমকি দেন, সেদিনই জি২০ কে মার্কিন মুলুক কার্যত বয়কট করে, এবং মার্কো রুবিও তাঁর অবস্থান জানান। এই প্রেক্ষাপটে এদিন, জি ২০র শেষে কূটনৈতিক পারদ আরও একবার তুঙ্গে চড়ল।
দক্ষিণ আফ্রিকা তার আফ্রিকান শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘুদের 'নির্যাতন' করার সময় 'বর্ণবাদী ও শ্বেতাঙ্গ-বিরোধী' নীতি অনুসরণ করছে বলে যে দাবি ওঠে, তা ঘিরে অভিযোগের পারদ চড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ সম্মেলন বয়কটের বার্তা দেন, আর তা থেকেই যাবতীয় বিতর্কের জন্ম। দক্ষিণ আফ্রিকা মেন করে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূতাবাস থেকে কেবল একজন কূটনৈতিক কর্মকর্তাকে এই জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে পাঠানোর উদ্দেশ্যই হল, দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসাকে অপমান করা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিদেশমন্ত্রী রোনাল্ড লামোলা বলেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জি-২০ এর সদস্য এবং যদি তারা প্রতিনিধিত্ব করতে চায় তবে তারা এখনও সঠিক স্তরের কাউকে পাঠাতে পারে।’তিনি আরও বলেন, 'এটা নেতাদের সম্মেলন। সঠিক স্তরটি হ'ল রাষ্ট্রপ্রধান, সেই দেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত একজন বিশেষ দূত, বা এটি একজন মন্ত্রীও হতে পারেন।'তবে এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে হস্তান্তর পরে হবে, সম্ভবত তার বিদেশ মন্ত্রকের ভবনে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


