India-US Army joint military exercise: পাক থেকে চিন সীমান্ত- ২ প্রান্তে ‘অ্যাকশনে’ ভারতীয় ও মার্কিন সেনা, ধামাকা হবে?
India-US Army joint military exercise: ভারতীয় এবং মার্কিন সেনার যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হল। আর সেই সামরিক মহড়া চলবে হিমালয় এবং মরুভূমিতে। একটি জায়গা চিন সীমান্তের কাছে। অপরটি আবার পাকিস্তান সীমান্ত লাগোয়া জায়গায় অবস্থিত।
India-US Army joint military exercise: পাকিস্তান সীমান্ত থেকে চিন সীমান্ত- দুই গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ভারতীয় ও মার্কিন সেনার যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হল। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরাখণ্ডের আউলির ফরেন ট্রেনিং নোডে ২২ তম 'যুদ্ধ অভ্যাস'-র সূচনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজস্থানের মহাজন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জেও যৌথ মহড়া চলবে ভারতীয় এবং মার্কিন সেনার। একদিকে হিমালয়, অন্যদিকে মরুভূমিতে দু'দেশের সেনা আগামী দু'সপ্তাহ সামরিক মহড়া চালাবে।

ভারতীয় ও মার্কিন সেনার শীর্ষ অফিসাররা হাজির
আর মঙ্গলবার সেই ২২ তম 'যুদ্ধ অভ্যাস'-র সূচনা করা হয়েছে আউলির ফরেন ট্রেনিং নোডে। সেখানে হাজির ছিলেন ভারতীয় সেনার ১৪ ইনফ্র্যান্টি ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল অমরেশ গুঞ্জ এবং মার্কিন সেনা একাদশতম এয়ারবর্ন ডিভিশনের ফার্স্ট ইনফ্যান্ট্রি কমব্যাট টিমের কম্যান্ডার কর্নেল বেঞ্জামিন জ্যাকম্যান। দু'দেশের সেনার ৬০০ জন করে সদস্য নিয়ে সামরিক মহড়া শুরু করা হয়েছে।
সামরিক মহড়ার সময় কী কী করা হবে?
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পাহাড়ি ও আধা-পাহাড়ি এলাকায় 'ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল গ্রুপ' মোতায়েনের ক্ষেত্রে উভয় বাহিনীর যৌথ সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই এই সামরিক মহড়া চালানো হবে। জোর দেওয়া হবে ইনফ্যান্ট্রি-কেন্দ্রিক অভিযানের উপরে। তার ফলে দু'দেশের সেনার ‘পার্টনারশিপ’ আরও মজবুত হয়ে উঠবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।
প্রযুক্তি থেকে আধুনিক ওয়েপন সিস্টেমে জোর
আর সেই সামরিক মহড়ার ক্ষেত্রে প্রযুক্তিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, এই সামরিক মহড়ার সময় নজরদারি ও পর্যবেক্ষণের জন্য ড্রোন ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার করা হবে। ব্যবহার করা হবে আধুনিক ওয়েপন সিস্টেমও। আধুনিক যুদ্ধ পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আরও ভালো মানিয়ে নেওয়ার উপরে দু'দেশের সেনা জোর দেবে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা।
আর সেই সামরিক মহড়ার বিষয়ে মুখ খুলেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরও। তিনি বলেছেন, 'আগামী দু'সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সৈন্যরা যৌথভাবে সামরিক মহড়া চালাবে। সেই মহড়ার মাধ্যমে দুই বাহিনী একে অপরের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে, প্রস্তুতি জোরদার করবে এবং উভয় বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


