India’s imports from Russia jump: ট্রাম্পকে কাঁচকলা ভারতের! ৫ মাসেই রাশিয়ার থেকে আমদানি বাড়ল ১৪৩৭৮৪৩০৪৮৫০০ টাকার
India’s imports from Russia jump: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বুড়ো আঙুল দেখাল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জুটি। বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই রাশিয়ার থেকে ভারতের আমদানি বেড়েছে ৫৭ শতাংশ।
India’s imports from Russia jump: আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা এবং শুল্কের রক্তচক্ষু আছে। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলতি অর্থবর্ষের প্রথম পাঁচ মাসে রাশিয়ার থেকে আমদানির পরিমাণ ৫৭ শতাংশ বেড়েছে বলে ভারত সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যম ইয়নের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে যে পরিসংখ্যান পেশ করা হয়েছে, তাতে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে অগস্ট পর্যন্ত রাশিয়া থেকে ৪১.৪৪ বিলিয়ন ডলারের আমদানি করা হয়েছে। যা গত অর্থবর্ষের (২০২৫-২৬) প্রথম পাঁচ মাসে ছিল ২৬.৪৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ আমদানি বেড়েছে প্রায় ১.৫ লাখ কোটি টাকার (১৪,৩৭,৮৪,৩০,৪৮,৫০০ টাকা) মতো।

তেল, সারের মতো আমদানির কারণে এই উত্থান
আর সেই উত্থানের কারণ ব্যাখ্যা করে কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে জ্বালানি তেল, সারের মতো জিনিস আমদানির সুবাদেই সেই অঙ্কটা লাফিয়ে বেড়েছে। আর আমেরিকা এবং পশ্চিমী দুনিয়ার রক্তচক্ষুর মুখেও জাতীয় স্বার্থের কারণেই রাশিয়ার থেকে ভারত জ্বালানি আমদানি করছে বলে একাধিকবার জানিয়ে এসেছে।
রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলের সংশোধনী বিলে সরাসরি ভারতের নাম
এমনিতে সেই পরিসংখ্যান সামনে আসার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলের যে সংশোধনী জমা দিয়েছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা, তাতে সরাসরি নাম করা হয়েছে ভারতের। তাতে রাশিয়ার থেকে তেল কেনা দেশগুলির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করার প্রস্তাব আছে। এমনকী রাশিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোটসঙ্গী দেশের (যে তালিকায় ভারত এবং চিন আছে) উপরে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপেরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সেই রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলে।
আমেরিকা ও পশ্চিমী দুনিয়ার ‘হাস্যকর’ যুক্তি
আমেরিকার একটি অংশের দাবি করা হয়, তারা মনে করে যে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার মাধ্যমে আদতে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ক্ষেত্রে অর্থের জোগান নিশ্চিত করা হচ্ছে। অথচ ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যেই আমেরিকা নিজেই স্বীকার করেছে যে রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই অর্থ কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে না, তার যুক্তি দিতে পারেনি আমেরিকা।
ভারত অবশ্য একেবারে যুক্তি দিয়ে সেই বিষয়টি তুলে ধরেছে একাধিকবার। দিনকয়েক আগে ইউক্রেনের কিয়েভে দাঁড়িয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বলেছেন, ‘(বিশ্ববাজারে) তেল নিয়ে যখন জটিল পরিস্থিতি চলছে, সেইসময় একইসঙ্গে ১৪০ কোটি মানুষকে তেলের জোগান দেওয়ার কাজ কতটা কঠিন, সেটা বুঝুন। ইউক্রেনের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে। আমরা সেটার সম্মান করি। কিন্তু আমাদের নিজেদেরও দৃষ্টিভঙ্গি আছে। আর আমি আশা করব যে অন্যরা সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সম্মান জানাবেন।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


