...
...
Next Story

Supreme Court: ফ্ল্যাট হস্তান্তরে বিলম্বে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন ক্রেতা: সুপ্রিম কোর্ট

Supreme Court: শীর্ষ আদালত গত ৪ জুনের রায়ে বলেছে, 'পরবর্তীতে ফ্ল্যাটের দখল প্রাপ্তি, শুধুমাত্র সেই কারণে কথিত বিলম্বের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবির নিষ্পত্তির আবেদন করার জন্য বরাদ্দগ্রহীতার অধিকারকে বিলুপ্ত করতে পারে না।'

Published on: Jun 27, 2026, 18:18:28 IST
Advertisement

Supreme Court: কেনার পরে ফ্ল্যাট হস্তান্তরে দেরি হলে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন ক্রেতা। এমনই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে শীর্ষ আদালত জাতীয় উপভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের (এনসিডিআরসি) ২০১৬ সালের একটি আদেশ বাতিল করে দিয়েছে। এনসিডিআরসি-র আদেশে বলা হয়েছিল যে, ফ্ল্যাটের দখল হস্তান্তরে বিলম্বের কারণে পরিষেবার ঘাটতির অভিযোগ এনে যখন আপিলকারী অভিযোগ দায়ের করেন, তখন তিনি উপভোক্তা ছিলেন না, কারণ তিনি ইতিমধ্যেই কোনও প্রতিবাদ ছাড়াই ফ্ল্যাটের দখল নিয়ে নিয়েছিলেন।

ফ্ল্যাট হস্তান্তরে বিলম্বে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন ক্রেতা: সুপ্রিম কোর্ট
ফ্ল্যাট হস্তান্তরে বিলম্বে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন ক্রেতা: সুপ্রিম কোর্ট

বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ এনসিডিআরসি-র আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে এক ফ্ল্যাট ক্রেতার করা আবেদনের ভিত্তিতে এই রায় দেয়। ওই ক্রেতা ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে দিল্লির একটি সমবায় গ্রুপ হাউজিং সোসাইটির সদস্য হন এবং একটি ফ্ল্যাট পান। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ফ্ল্যাটের দখল পেতে বিলম্বের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি অবশ্যই প্রকৃত দখল হস্তান্তরের পূর্ববর্তী সময় থেকে উদ্ভূত হয়। আদালত গত ৪ জুনের রায়ে বলেছে, 'পরবর্তীতে ফ্ল্যাটের দখল প্রাপ্তি, শুধুমাত্র সেই কারণে কথিত বিলম্বের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবির নিষ্পত্তির আবেদন করার জন্য বরাদ্দগ্রহীতার অধিকারকে বিলুপ্ত করতে পারে না।' ফ্ল্যাটের দখল হস্তান্তরে বিলম্বের কারণে পরিষেবার ঘাটতির অভিযোগ এনে আপিলকারী জেলা উপভোক্তা ফোরামে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

২০০৯ সালের জুলাই মাসে জেলা ফোরাম পক্ষগুলোকে নোটিশ পাঠায় এবং ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লি রাজ্য উপভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন সেই আদেশটি বহাল রাখে। এরপর আপিলকারী এনসিডিআরসি-র দ্বারস্থ হন, যা ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে পুনর্বিবেচনার আবেদনটি খারিজ করে দেয়। সর্বোচ্চ আদালত উল্লেখ করেছে যে, জেলা ফোরামে দায়ের করা অভিযোগটি গৃহীত হয়েছিল এবং সোসাইটিকে নোটিশ জারি করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিরোধটি সালিশির জন্য আবেদন জানায়। আপিলকারী সর্বোচ্চ আদালতের সামনে যুক্তি দেন যে, পক্ষগুলোর মধ্যে চুক্তিতে থাকা একটি সালিশি ধারার ভিত্তিতেই কেবল অভিযোগটি সালিশির জন্য পাঠানো যেত না। আপিলটি বিবেচনা করতে গিয়ে বেঞ্চ ১৯৮৬ সালের উপভোক্তা সুরক্ষা আইনের উল্লেখ করে বলেছে, এটি একটি কল্যাণমূলক আইন, যার উদ্দেশ্য হল পণ্যের ত্রুটি বা পরিষেবার ঘাটতি নিয়ে অভিযোগকারী ভোক্তাকে একটি সহজ, স্বল্পমূল্যের এবং দ্রুত প্রতিকার দেওয়া। আদালত আরও বলেছে, এই আইনের ৩ নং ধারায় বলা হয়েছে যে, এই আইনের অধীনে প্রতিকারটি আইনের অধীনে উপলব্ধ অন্য কোনও প্রতিকারের অতিরিক্ত এবং তা খর্ব করে না।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe